শুরুতে খেলেছেন কিছু ম্যাচ, দেখিয়েছেন নিজের দাপট। এরপর নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে ফিরে আসেন নাহিদ রানা।
যদিও পেশোয়ারের মালিকের চাওয়া ছিল সিরিজ শেষেই যেন পিএসএল খেলতে আসেন নাহিদ। তবে হাল্কা চোট ও ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে নাহিদকে বিশ্রামের সিদ্ধান্তই দেয় বিসিবি।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য পুর্ণ বিশ্রাম পাননি নাহিদ, এক ম্যাচের জন্য হলেও তাকে পাচ্ছে পেশোয়ার। আর সেটা মেগা ফাইনালের মঞ্চে। যেখানে নাহিদকে নিয়েই শক্তিশালী একাদশ সাজাতে যাচ্ছে জালমি।
ওপেনিংএ থাকবেন অধিনায়ক বাবর আজম। কিং বাবরের ফর্মটাই যেন দেখা যাচ্ছে এবারের পিএসএলে, আসরে করেছেন দুই শতক।
এই আসরের সর্বোচ্চ রানও পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের।
বাবরের সাথে ওপেনিংএ আসবেন পাকিস্তানের এক্সপ্লোসিভ ব্যাটসম্যান মোহম্মদ হারিস। শুরুতে ক্যামিও খেলে পাওয়ারপ্লেয়ে কাজে লাগানোর দায়িত্ব থাকবে তার।
নাম্বার তিনে আসবেন লঙ্কান কুশল মেন্ডিস। আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এই ব্যাটারের, ১০ ম্যাচে ৬১ গড়ে করেছেন ৫৪১ রান, স্ট্রাইক রেট ১৭০। নিসন্দেহে টপ অর্ডারের ম্যাজিক ফাইনালে ধরে রাখতে চাইবে জালমি।
নাম্বার চার পজিশনে আসবেন কিউই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মাইকেল ব্রেসওয়েল। ব্যাটের সাথে বলটাও করতে পারেন তিনি।
তার পরে নাম্বার পাচে আসবেন চাচা খ্যাত ইফতিখার আহমেদ। এই আসরে স্পিন বোলিংএ চমক দেখিয়েছেন চাচা, সাথে খেলেছেন একাধিক ক্যামিও। এদের পরেই দেখা যাবে অষ্ট্রেলিয়ান পেস বোলিং অলরাউন্ডার এরন হার্ডিকে।
লোকাল ট্যালেন্ট আব্দুল সামাদ থাকবেন ফিনিশিং এর দায়িত্বে। নিসন্দেহে দারুণ এই প্রতিভাবান এই ব্যাটার বাড়াবেন ব্যাটিং ডেপথ।
বাহাতি পেসার হিসেবে থাকবেন আব্দুল বাসিত। শেষ ম্যাচেও ৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন লোকাল এই ট্যালেন্ট।
অভিজ্ঞ খুররাম শাহজাদ থাকবেন অন্য লোকাল পেস বোলার হিসেবে। এদের সাথে পেস আক্রমণে আসবেন বাংলার স্পিড স্টার নাহিদ রানা।
আর চায়নাম্যানে এশিয়ার অন্যতম সেরা স্পিনার সুফিয়ান মুকিম আসবেন নাম্বার এগারোতে।
সব মিলিয়ে আসরে মাত্র এক ম্যাচ হারা পেশোয়ার ফাইনালেও নিয়ে যাচ্ছে দারুণ এক দল। এবার দেখা যাক, বাবর কুশাল নাহিদদের দলকে রুখতে পারে কিনা নাটকীয়ভাবে ফাইনালে আসা লাবুশানের হায়াদ্রাবাদ কিংসম্যান। ৩ মে রাত ৮ টায় দেখা যাবে এই দুই দলের লড়াই।




