ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা।
২৯৯টি আসনের বেশিরভাগে বিজয় অর্জন করে এককভাবে সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হলেও দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ভিন্নধর্মী একটি উদ্যোগের দিকে ঝুঁকছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের দায়িত্বে থাকা তারেক রহমান নাকি একটি ‘জাতীয় সরকার’ আদলে অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করছেন, যেখানে রাজনৈতিক সমন্বয় ও অভিজ্ঞতার ভারসাম্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
দেশ রুপান্তর দলীয় সূত্র এর বরাদ দিয়ে বলছে, সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার কাঠামো, সদস্যসংখ্যা ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা চলছে।
প্রবীণ রাজনীতিকদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো প্রশাসনে নতুন উদ্যম সঞ্চার করা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা।
এদিকে ক্রীড়াঙ্গন নিয়েও বড় ধরনের পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে। বিএনপি নেতৃত্ব মনে করছে, দেশের খেলাধুলার মান উন্নয়নে মাঠ থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রশাসনিক দায়িত্বে আনা প্রয়োজন।
সেই ভাবনা থেকেই টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সাবেক তারকা খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা এগিয়েছে। এতে মাঠের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও নীতিনির্ধারণী দক্ষতার সমন্বয় ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
দেশ রুপান্তরের বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হককে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা জোরালো।
পাশাপাশি এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে আনার পরিকল্পনাও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সব মিলিয়ে, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী মন্ত্রিসভা গঠনের দিকেই বিএনপি এগোচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।




