শুরুর ওভারে অভিষেক শর্মার উইকেট। তবে এরপর ভালোই আগাচ্ছিল ভারত দল। বিশেষ করে ইশান কিশানের দুর্দান্ত ব্যাটিংএ বেশ বড় রানের দিকেই ছিল তারা।
ইশান কিশান ৭৭ করে ফিরে গেলেও বড় রানের দিকে ছিল ভারতীয় দল। ১৪ অভার শেষে তাদের রান ছিল ১২৬ রান। তখন মনে হচ্ছিল ২০০ এর উপরে যাবে ভারতের রান। ৮ উইকেট হাতে রেখে ভারতের লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ, সেটাই দিচ্ছিল হাতছানি। এমন সময় আসে টাইমআউট।
সেই টাইমআউটেই মাঠে ছুটে আসেন গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় দলের কোচ মাঠে এসে পরামর্শ দেন তিলাক ভার্মাদের। ২৫ রানে তখন ব্যাটিং করছিলেন তিলাক। আর সেই তিলাকদের পরামর্শ দেন গম্ভীর, তার সাথে ছিলেন সুরিয়াকুমার যাদব।
কিন্ত এরপরও হয় ভারতের পতন। টাইম আউটের পরের বলে সুইপ করতে গিয়ে আউট তিলাক ভার্মা। স্যাম আউটের বলে লেগ বিফোর হয়ে ফিরে যান। এরপর ব্যাটিংএ আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তবে বাবর আজমের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ইন্ডিয়ান নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার। আর সেখানেই চাপে পড়ে ভারত দল।
যে কারণে শেষ ৬ অভারে ৫০ এর কম রান করে ভারত দল। এর মাঝে ৩৩ রান আসে পরের ৫ অভারে। যেখানে ২০০ এর অধিক হাতছানি ছিল দলের, সেখানে রান থামে ১৭৫ রানে।
আর সেখানেই উঠেছে প্রশ্ন। কেননা টাইমআউটের আগে যেখানে দারুণ অবস্থানে ছিল ভারত, সেখানে টাইমআউটের পরই টানা উইকেট পতন তাদের। টানা ১৩ অভার ক্রিজে থাকা তিলাক ফিরে যান গাম্ভীরের পরামর্শ শুনেই। আবার হার্দিকও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তাই তো এ নিয়ে হচ্ছে আলোচনা সমালোচনা। অনেকে এটাকে বলছেন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হিসেবে।
শেষ পর্যন্ত এই রানটাও হয়ত ভারতের জন্য হবে পুজি। আবার হয়ে যেতে পারে ব্যাবধান। তবে সাময়িক সময়ের জন্য গাম্ভীরের সিদ্ধান্ত যে ছিল আত্মঘাতী, সেটা তো প্রমাণিত হয়েছে। গাম্ভীরের সিদ্ধান্ত হয়ত হয়েছে আত্মঘাতী, অথবা তার বুদ্ধি কাজে লাগাতে পারেনি ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। যেটাই হোক, মাঝ থেকে ক্ষতি হলো ভারত দলেরই।




