ক্রিকেট যতদিন হয়তো সাকিব আলোচনায়ও রবেন ততদিন।ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হবার আগেই সাকিবকে নিয়ে অনেকবার প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন আমিনুল হক।আজ ক্রীড়া প্রতিনন্ত্রী হয়েও সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।
সাকিব মাশরাফি সম্পর্কে তিনি বলেন,
“আমি মনে করি যে তারা দেশের লিজান্ডারী খেলোয়াড়,আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই, আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের উপর নমনীয়,আমরা চাই রাষ্ট্রীয়ভাবে তারা মামলাগুলো সমাধান করে দেশের ক্রিকেটে ফিরে আসুক।”
অবশ্য সাকিবকে নিয়ে এর আগেও গত মাসে নিজের ভাবনা স্পষ্ট করেছেন এই সাবেক ফুটবলার।
১ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি বলেন, ‘আমি একজন স্পোর্টসম্যান হিসেবে সব সময় সাকিবের পক্ষে। আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন, তাহলে সাকিবের বিষয়ে আমরা নমনীয় আচরণ করবো।’
আমিনুল হক আরো বলেন, সাকিব বাংলাদেশের একজন লিজেন্ডারি ও বিশ্ববিখ্যাত খেলোয়াড়। তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি চান সাকিব যেন আবারও বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সাকিবের যে ভুলগুলো রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্র আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার-বিশ্লেষণ করবে। তবে সে যদি দেশের হয়ে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা তার বিষয়ে নমনীয় থাকবো।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির হয়ে লড়াই করেন আমিনুল। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কর্নেল মো. আবদুল বাতেনের কাছে হেরে যান তিনি। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি। দিনশেষে আমিনুল হকই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হলেন।
এর আগে কোনো ক্রীড়াবিদই ক্রীড়ামন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হতে পারেননি। সাবেক ফুটবলার আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী ছিলেন ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত।
১৯৯৪ সাল থেকে ক্যারিয়ার শুরু করা আমিনুল পেশাদার ফুটবল খেলেছেন টানা ২০ বছর। বেশিরভাগ সময় তিনি কাটিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংসদ চক্রে।জাতীয় দলের হয়ে ২০০৩ সালে সাফ জিতেছেন তিনি। ২০১০ সালে এসএ গেমসে সোনা জয়ের পেছনে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন এই গোলরক্ষক।
ফুটবল ছাড়ার পরপরই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমিনুল। আর এখন তিনি দেশের ক্রীড়া জগতের সবচেয়ে বড় অভিভাবক।




