গত মৌসুমে ফর্মের ঝলক দেখিয়েছেন। তবে ব্রাইটনে সেটা যেন ছিল পেদ্রোর ট্রেইলার।
ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে গত মৌসুমে করেছেন ১০ গোল, সাথে ছিল ৬ এসিস্ট। প্রশ্ন ছিল চেলসিতে এসে এই পারফর্মেঞ্চ ধরে রাখতে পারবেন কিনা জোয়াও পেদ্রো৷ তবে পেদ্রো যেন বুঝিয়ে দিলেন, “পিকচ্যার আভি বাকি হ্যা”।
ব্রাইটনের হয়ে ট্রেইলার দেখানো পেদ্রো সিনেমার মুলটাই দেখালন চেলসির হয়ে।
বিশেষ করে ২০২৬ সালে গোল উৎসব থামছেইনা পেদ্রোর। হয়ত ক্রিসমাসের পর সান্তা পুরণ করেছে তার ইচ্ছা, নতুবা পেদ্রো পেয়েছেন ইচ্ছাপুরণের বর৷ না হলে এমন ফর্মেই বা আসবেন কিভাবে।
এই বছর ৭ গোল হয়ে গেছে পেদ্রোর, সাথে আছে এক এসিস্ট। শেষ ৯ ম্যাচেই এসেছে এই ৭ গোল, সাথে আবার ঐ এসিস্টটাও। মাঠে নামলেই যেন স্কোরশিটে বল পাঠাচ্ছেন পেদ্রো।
সর্বশেষ ম্যাচে পেদ্রো গোল পেয়েছেন বার্নলির বিপক্ষে। শুরুতেই বার্নলির বিপক্ষে চেলসির হয়ে চমক নিয়ে আসেন পেদ্রো।
উইঙ্গার নেতোর বাড়ানো বল থেকে তার ক্লোজ রেঞ্জের শট, তাতেই বল খুজে পায় জালের ঠিকানা। সেখানেই শুরুতে ম্যাচের দখল নেয় চেলসিও।
যদিও পরবর্তীতে ফোফানার লাল কার্ডে ১০ জনে পরিণত হয় চেলসি, সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে প্রতিপক্ষ বার্নলি।
এর আগে নিজের খেলা ম্যাচে লিডসের বিপক্ষে স্কোরশিটে নাম পেদ্রোর। সেবারও দলের হয়ে ওপেনিং গোল, দলকে লিড এনে দেন।
কিন্ত পেদ্রোর মর্যাদা সে ম্যাচেও রাখতে পারেনি চেলসি দল, তারা ড্র করে ম্যাচ। তবে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পেদ্রোর গোল ও এসিস্টই চেলসিকে এনে দেয় জয়৷
এর আগের দিন নাপোলির বিপক্ষে সমতা ফেরার ও জয়সুচক দুই গোলই করেন পেদ্রো, দুটাই বক্সের বাইরে থেকে। অর্থ্যাৎ পেদ্রোর গোলই প্রতীকি হয়ে উঠছে চেলসির গোলে।
ক্লাবে এই মৌসুমে পেদ্রোর ১০ এ ১০ পাওয়া হয়ে গেছে। তবে ঝাকড়া চুলের ব্রাজিলিয়ানের জন্য চ্যালেঞ্জটা জাতীয় দলে।
হলুদ জার্সিতে নিজেকে প্রমাণের মালা, মেলে ধরার পালা। ২৪ বছরের আক্ষেপ কাটিয়ে শিরোপা জাগিয়ে ধরার পালা।
সেই আক্ষেপ ঘুচাতে অন্য অনেক পজিশনের মত দরকার ছিল ভালো মানের স্ট্রাইকার। জোয়াওকে নিয়ে সেই স্ট্রাইকারের অভাব পুরণের স্বপ্ন অধিকাংশ সমর্থকদের। চেলসি ভক্তদের মত ব্রাজিলের ভক্তদের নিরাশ করবেননা পেদ্রো, বিশ্বকাপের আগে এটাই প্রার্থনা সেলেসাও ভক্তদের।




