‘সে যখন রাজনিতীতে ঢুকে তখন আমি অলরেডি রাজনিতী করি!,আমি নির্বাচিত সেতো তাওনা” প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে বিসিবির এক ডিরেক্টরের এমন মন্তব্যে ক্ষেপেছেন অনেকেই।তাছাড়া প্রতীমন্ত্রী আমিনুল দেশের কিংবদন্তি ফুটবলারও।
আসিফ বলেছিলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা আছেন, তারা তো আসবেনই।
আমরা পোর্টফলিও চেক করি, কারা গুজব ছড়ায় না, কারা ফালতু কাজ করে না। তাদেরকে আমরা ডেকে এনে বসাবো।
এই সময়ের আগে আবার ফারুক ভাইয়ের আঙুলের ঘটনাটা ঘটল। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে এসে ফাটাকেস্ট’র মতো একটা অর্ডার দিয়ে দিলেন। সবকিছু মিলিয়ে ব্যাপারটা লেজেগোবরে হয়ে গেছে।’
এ নিয়ে সাবেক বিসিবি পরিচালক ফাহিম সিনহা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইন্টেনশনালি কি না আমি এটা বলতে পারব না।
তবে এরকম দায়িত্বশীল জায়গা থেকে কথাবার্তা বুঝেশুনে বলা উচিত। বিসিবির মতো সংস্থার মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড আছে।
কথা বের হয়ে গেলে তো বের হয়ে গেল। আমাদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য অবশ্যই অপ্রত্যাশিত। আগেও আমরা বিসিবি পরিচালকদের কাছ থেকে অনেক ধরনের বেফাঁস মন্তব্য শুনেছি। অনুরোধ জানাব তারা এগুলো থেকে বিরত থাকুক।’
এমন বেফাঁস মন্তব্যের মতো ঘটনায় সভ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিসিবির এই সাবেক পরিচালক, তিনি বলেন ‘এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনও হয়নি।
স্পোর্টসের ইতিহাসে অন্য কোনো সভ্য দেশে এটা হয়েছে কি না তাও আমার জানা নেই। এটা হওয়ার কথা না, হওয়া উচিত–ও না। অবশ্যই অপ্রত্যাশিত।’




