বিশ্বকাপ জয়ের আগেই বিশ্বকাপ জিতে যায় ভারতীয় দল। তাদের খেলোয়াড়রা বলেন ভারতের সেকেন্ড থার্ড টিম হলেও তারা জিতবে বিশ্বকাপ।
অথচ ঘরের মাঠে সে ভারতের হয় লেজেগোবরে অবস্থা। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দাপট দেখানো ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা বড় মঞ্চে এসে দেখান তাদের আসল রুপ। আর তাতেই যা তা অবস্থা হয় তাদের।
এই যেমন ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা। আইপিএল ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বোলারদের মেরে ছাতু বানিয়ে ফেলেন।
আর সেখানে ভালো খেলেই পেয়ে যান অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। এমনকি অনেক ভারতীয় তো তাকে অনেক লিজেন্ডদের চেয়েও রাখে উপরের কাতারর। তবে আসল মঞ্চ এলেই যেন অভিষেকরা খাবি খান।

আসরের শুরুর তিন ম্যাচে তো রানই করতে পারেননি অভিষেক। কোন রান না করে আসলেন সুপার এইটের মঞ্চে৷ সেখানে এসে অবশেষে রান করলেন। তবে ১৫ এর বেশি করতে পারলেন না শেষ মেশ।
যেখানে কানাডার মত দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে করলো ১৫৬ রান, হারলো ৫৬ রানে। সেখানে ভারত ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে করলো মোটে ১১১ রান।
সেখানে হারের ব্যাবধানটা ৭৭ রানের। অর্থ্যাৎ এদিন আফ্রিকানরা লজ্জাই উপহার দিলো ভারতকে।
ভারতের ব্যাটিং লাইনআপকে এদিন কোন সুযোগই দেয়নি জানসেন, মাহরেজ, বোসরা।
একইসাথে ভারতকে বাস্তবতাও দেখিয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সহজ গ্রুপে পড়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে ভারত। তবে আসল জায়গায় এসে বেহাল দশা তাদের। বর্তমানে ভারতের সেমিফাইনাল যাওয়া নিয়েও আছে টানাটানি অবস্থা।
অপরদিকে সিরিজ ও আইপিএলে কাপান ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ তবে বিশ্বকাপ এলেই যেন ব্যার্থ হয়ে যান তারা।
কেননা এইসব জায়গায় সবসময় সেরাদের সেরা বোলাররাই খেলেন না। আবার ভালো মানের কেউ কেউ খেললেও সেভাবে হয়না প্লানিং।
ফলে এইসব জায়গায় এগিয়ে যান ভারতীয়রা। আর সেখানে পারফর্ম করেই নিজেদের বাঘ ভাবা শুরু করেন তারা।
তবে আসল জায়গায় এলে হয়ে যান বিড়াল। মোহম্মদ আমির বলেছেন অভিষেক শুধুমাত্র এক স্লোগার, ভালো বোলারের সামনে পাবেননা পাত্তা।
তখন আমিরের কথার সমালোচনা করেন অনেকে। তবে এখনও আমিরের কথাটাই যেন হচ্ছে প্রতিফলিত। ভারতীয় ক্রিকেট যে যত গর্জে তত বর্ষেনা, সেটাই প্রমাণ হলো আরেকবার।




