সৌদি প্রো লীগে আল নাজমার বিপক্ষে আল নাসেরের বড় জয়। দলের জয়ের দিন আল নাসেরের হয়ে শুরুতেই গোলের খাতায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এর সাথে আবার ম্যাচে তুলে নেন এক এসিস্টও। তবে তাতেই রেকর্ডের পাতায় নাম তুলে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো।
সৌদি ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছেন ৩ বছর হয়েছে মাত্র, এর মাঝেই দলটির সর্বোচ্চ গোল স্কোরার হবার গৌরব অর্জন করলেন রোনালদো। আল নাসেরের হয়ে সেখানে ভেঙে দেন তিনি সৌদি তারকা মোহম্মদ আল শাহলায়ীর রেকর্ড। যিনি ১০ বছরে ২৬৩ ম্যাচ খেলে করেছিলেন ১২০ গোল। আর সেখানে ১২১ গোল করে রেকর্ডের পাতায় নাম ক্রিশ্চিয়ানো। সেটাও করেছেন ১৩১ ম্যাচ খেলে, শাহলায়ীর চেয়ে বেশি অর্ধেক ম্যাচ কম খেলে।
তবে রোনালদো যে শুধু আল নাসেরের হয়েই সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড করেছেন এমনটা নয় মোটেও। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সবচেয়ে সফল রোনালদো। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি গোল এসেছে সেখানেই। যেখানে ৪৩৬ ম্যাচে ৪৫০ গোল করেন ক্রিশ্চিয়ানো
পর্তুগাল ফুটবল দলের হয়ে এই ৪১ বছর বয়সী তারকা খেলেন ২২৬ ম্যাচ। এই ২২৬ ম্যাচে তিনি করেন ১৪১ গোল। যা তাকে এনে দেয় পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের খেতাব। এমনকি আন্তজার্তিক ফুটবলেও সর্বোচ্চ গোল স্কোরার ক্রিশ্চিয়ানো।
রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর জুভেন্তাসে যান ক্রিশ্চিয়ানো। সেখানেও ট্রান্সফার মুল্যের সঠিক প্রতিদান দেন তিনি। ইতালিয়ান ক্লাবটিতে মাত্র ৩ মৌসুম খেলেও সেখানেও বয়ে যান সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের। এছাড়া উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে ৫ বার শিরোপা জয় করেন ক্রিশ্চিয়ানো। সেখানেও সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার নাম রোনালদো।
এর বাইরেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর হয়ে দুই দফায় খেলেছেন রোনালদো এবং ক্লাবটির ইতিহাসেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম স্থায়ীভাবে লিখেছেন। ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি ও সৌদি আরব,ইউরোপের শীর্ষ লিগ থেকে এশিয়ার মঞ্চ, সব জায়গাতেই নিজের প্রভাব দেখিয়েছেন তিনি।
বয়স কেবল সংখ্যা—এ কথাটির জীবন্ত উদাহরণ যেন রোনালদো। সময়ের সাথে অনেক কিংবদন্তিই হারিয়ে যান, কিন্তু রোনালদো নিজেকে নতুন করে তৈরি করেন বারবার। গোল, ট্রফি আর ব্যক্তিগত কীর্তিতে গড়া তার ক্যারিয়ার এখনো চলছে সমান তালে। ইতিহাসের পাতায় তিনি শুধু এক নাম নন, বরং এক অনন্য।




