আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রে নিজের আবসনে নতুন করে বিনিয়োগ করেছেন।
মায়ামির ব্রিকেল এলাকায় নির্মাণাধীন ৮০ তলা সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্স মায়ামি টাওয়ারে শীর্ষ তলায় চারটি বিলাসবহুল কন্ডোমিনিয়াম কেনার চুক্তি করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ ডলার।
সে হিসেবে চারটি ইউনিট মিলিয়ে তাঁর মোট বিনিয়োগ প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬০ কোটি টাকার বেশি।
প্রকল্পটি নির্মাণ করছে মাস্ট ক্যাপিটাল এবং একচেটিয়া বিক্রয় তত্ত্বাবধানে রয়েছে ফরচুন ডেভেলপমেন্ট সেলস। যুক্তরাষ্ট্রে সিপ্রিয়ানির এটি প্রথম গ্রাউন্ড-আপ আবাসিক প্রকল্প। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালে।
ভবনটিতে মোট ৩৯৭টি অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে, যেখানে এক থেকে চার শয়নকক্ষের ইউনিট রয়েছে। সাধারণ ইউনিটের প্রারম্ভিক মূল্য ১৭ লাখ ডলার হলেও মেসির কেনা ইউনিটগুলো ভবনের সর্বোচ্চ ৮০ তলায় অবস্থিত বিশেষ আবাসন অংশ ‘দ্য কানালেত্তো কালেকশন’-এর অন্তর্ভুক্ত।
এখানে সীমিতসংখ্যক পেন্টহাউস ও অতিবিলাসবহুল আবাসন রাখা হয়েছে, যা নির্বাচিত মালিকদের জন্য সংরক্ষিত।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, অন্তত একটি ইউনিটের আয়তন প্রায় ৩ হাজার ৫০০ বর্গফুট এবং এতে চারটি শয়নকক্ষ রয়েছে।
টাওয়ারটি থেকে মায়ামি শহরের আকাশরেখা ও বিসকেইন উপসাগরের চারপাশজুড়ে ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। পাশাপাশি উচ্চমানের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সুবিধার তালিকায় রয়েছে রিসোর্ট-ধাঁচের দুটি সুইমিং পুল ও সানডেক, বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ রেস্তোরাঁ ও ব্যক্তিগত লাউঞ্জ, সউনা ও ট্রিটমেন্ট রুমসহ সমন্বিত স্পা, গলফ সিমুলেটর, স্ক্রিনিং রুম, আধুনিক ফিটনেস সেন্টার, পিকলবল কোর্ট এবং ২৪ ঘণ্টা ক্যাটারিং সেবা।
বর্তমানে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন মেসি। ২০২৮ সাল পর্যন্ত তাঁর চুক্তি বহাল রয়েছে।




