২০২২ সালে ছিলেন আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার। তবে বিশ্বকাপের আগেই আসে দুসংবাদ। হ্যামিস্ট্রিং ইঞ্জুরির কারণে বিশ্বকাপ দলে থাকা হয়নি জিওভানি লো সেলসো। দলের বিশ্বকাপ জয়কে মাঠের বাইরে থেকেই দেখেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপের পর ইঞ্জুরি থেকে দলে ফিরেছেন, দলে জায়গাও নিয়মিত হয়েছে। কিন্ত আবারো লো সেলসোর সঙ্গী এই ইঞ্জুরি।
রিয়াল বেটিসের এই তারকা ইঞ্জুরিতে আক্রান্ত হন জানুয়ারি মাসে। আগামী ফিনালসিমা থেকে ছিটকে গেছেন ইঞ্জুরিতে, সম্ভাবনা আছে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ারই। মাঝমাঠে ইঞ্জুরি যেন নিত্য দিনের সঙ্গী হয়ে আছে এই মিডের জন্য।
ইঞ্জুরিতে আর্জেন্টিনা দলের নিয়মিত স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ। ইন্টার মিলানের হয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেন, এরপর পরেন ইঞ্জুরিতে। সেই ইঞ্জুরিতে থেকে দেখেন চ্যাম্পিয়নস লীগ থেকে দলের বিদায়। কবে ফিরবেন মার্টিনেজ সেটা নিশ্চিত নয়, তবে ফিনালসিমা থেকে ছিটকে গেছেন তিনি।।আগামী দিনে লাউতারোর জায়গাটা কে পুরণ করেন আর্জেন্টিনার ম্যাচে, সেটাই দেখার বিষয়। তবে এমন একজনের ইঞ্জুরি আর্জেন্টিনার জন্য ধাক্কাও বটে।
ইঞ্জুরিতে আছেন লেফট উইঙার নিকো গঞ্জালেস। এথলেটিকো মাদ্রিদে লোনে আসা এই উইঙারেরও এসেছে ইঞ্জুরির হানা। তবে সবচেয়ে বড় ইঞ্জুরি রাইট ব্যাকে থাকা জোয়ান ফোথের। এসিএলের খপ্পরে ফোথ, যে কারণে মৌসুম থেকেই ছিটকে গেলেন তিনি। ফিনালসিমা তো বটেই, বিশ্বকাপই খেলা হবেনা এই রাইট ব্যাকের। আর্জেন্টিনা দলে সেন্টার ব্যাক ও রাইট ব্যাকে অপশন থাকে ফোথ, সেখান থেকে তার ইঞ্জুরি দলকে দিলো বেশ পিছিয়ে।
ইঞ্জুরির কবলে সর্বশেষ মুখ ভ্যালেন্টাইন কার্বনি। ইতালিয়ান সিরিআ তে নিয়মিত পারফর্ম করেন কার্বনি। সেখান থেকে বর্তমানে আছেন লোনে আর্জেন্টিনার ক্লাবে। তবে সেই সময়ই এলো ভয়ঙ্কর ইঞ্জুরি। যে ইঞ্জুরির কারণে আগামী কয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকবেন কার্বনি। লোনে আসা যাওয়ার মাঝে থাকা কার্বনির জন্য এমন কিছু বড় আকারে প্রভাব ফেলবে তার ক্যারিয়ারে। আর্জেন্টিনার ভক্তদের জন্য যে ইঞ্জুরি হবে বড় ধাক্কা।
সব মিলিয়ে ইঞ্জুরিতে বেশ জর্জরিত আর্জেন্টিনা দল। এর মাঝে আর্জেন্টিনার মুল স্কোয়াডের বড় একাধিক তারকার ইঞ্জুরি দলকে ফেলে দিয়েছে আরো বিপদে। তবে এসব ইঞ্জুরির মাঝ থেকে কিভাবে সেরা স্কোয়াড নিয়ে আগামী দিনে ফিনালসিমা ও বিশ্বকাপে মাঠে নামেন স্কালোনি, সেটাই দেখার বিষয়।




