আর মাত্র কয়েক মাস পর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
সেই আসরে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ইরান জাতীয় ফুটবল দলেরও। তবে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে দেশটিতে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এর যৌথ আক্রমণের পর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আপত্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদী তাজ।
শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আজ যা ঘটেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই আক্রমণের ফলে, আমাদের জন্য সেখানে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা প্রায় অসম্ভব। তবে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”
এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিল বাংলাদেশ।
মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা চাপের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল টাইগাররা। সেই উদাহরণ টেনে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন-ইরানও কি একই পথে হাঁটবে?
সূচি অনুযায়ী, ইরান তাদের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেস-এ নিউজিল্যান্ড এর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান।
এরপর ২১ জুন একই ভেন্যুতে বেলজিয়াম এর মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ২৬ জুন সিয়াটল-এ, প্রতিপক্ষ মিশর।
তবে কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যম বলছে বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের ইতোমধ্যে সড়িয়ে নিয়েছেন ইরানের বেশিরভাগ খেলোয়াড়!
এদিকে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে ইরানের। বিদেশি খেলোয়াড়দের অনেকেই দেশে ফিরতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি,এমন খবর দেশটির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অতীতে একাধিকবার তার প্রাব হারানোর গুজব ছড়ালেও এবারের ঘটনা অনেকটাই নিশ্চিত।




