এল্যান্ড রোড-এ স্বাগতিক লিডস ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
তবে ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ইফতারের সময় গ্যালারির একাংশের আচরণ। এদিন আকাশি জার্সিতে মূল একাদশে খেলেন তিন মুসলিম ফুটবলার,ওমর মারমুশ, রায়ান আইত-নুরি ও রায়ান চেরকি। বেঞ্চে ছিলেন আরেক মুসলিম ফুটবলার আব্দুকোদির খুসানভ।
খেলার ১৩ মিনিটে ইফতারের সময় হলে রোজাদার খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখেন রেফারি।
স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে বিরতির কারণ জানিয়ে বার্তাও প্রচার করা হয়, যাতে দর্শকরা বিষয়টি বুঝতে পারেন। খেলোয়াড়রা সাইডলাইনে পানি ও হালকা খাবার গ্রহণ করে রোজা খুলছিলেন,ঠিক সেই সময় লিডস সমর্থকদের একাংশ উচ্চস্বরে দুয়ো ধ্বনি দিতে শুরু করেন, যা উপস্থিত অনেককেই বিস্মিত করে।
বিষয়টিকে আধুনিক বিশ্বের জন্য দুর্ভাগ্যজনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা।
ম্যাচ শেষে তিনি উত্তপ্ত হয়ে বলেন, “এটি আধুনিক বিশ্ব, তাই না? আজ বিশ্বে যা ঘটছে তার দিকে তাকান।
আপনাকে ধর্ম ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে হবে-এটাই মূল কথা।” সমর্থকদের এমন আচরণে স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেন এই স্প্যানিশ কোচ।সভ্য পৃথিবীতে এমন আচার-আচরণ হতে পারেনা বলেই মন্তব্য তার।

২০২৩ সাল থেকে প্রিমিয়ার লিগ রেফারিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা চালু করেছে, যাতে রমজানে মুসলিম খেলোয়াড়রা সংক্ষিপ্ত বিরতিতে ইফতার করার সুযোগ পান।
সেই নিয়মের কথাই স্মরণ করিয়ে দেন গার্দিওলা। তিনি বলেন, “প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী খেলোয়াড়রা এক বা দুই মিনিট সময় নিয়ে রোজা ভেঙেছে।
দুর্ভাগ্যবশত আমাদের এমন প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হলো।”
প্রসঙ্গত এই ম্যাচে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।




