টার্গেট মোটে ১১৫! ওয়ানডেতে এই টার্গেট গোনায় ধরা হবেনা পৃথিবীর কোনো মাঠেই।তবে ভাবা হচ্ছিলো মাঠটি যেহেতু মিরপুর হয়তো ভিন্ন কিছু হলে হতেও পারে।
তবে সাইফ ১০ বলে আউট হলেও,একজন ছিলেন ধরা ছোয়ার বাহিরে,তিনি ১১৫ রানের মধ্যে একাই করেছেন নট আউট ৬৭ রান।
তবে এই ৬৭ রানের মধ্যে তামিম ছয় হাকিয়েছেন ৫ টি,আর সাথে ৪ হাকিয়েছেন ৭ টি।অর্থাৎ ছয় থেকে ৩০ রান আর ৪ থেকে তার ঝুলিতে এসেছে ২৮ রান।টোটাল ৬৭ রানের ৫৮ রানই এই চার-ছয়ের মাধ্যমে।
তামিম ছয় হাকিয়েছেন বেশিরভাগ জায়গায় দাঁড়িয়ে যা বাংলাদেশী ব্যাটারদের কাছ থেকে বেশ দূর্লভ ব্যাপার।
এজন্যই হয়তো সর্বশেষ ওয়ানডেতে দুর্দান্ত করা সৌম্যকে বসিয়েও তামিমকে ওপেনিংয়ে রেখেছে ম্যানেজমেন্ট।আর সেই ভরসার প্রতিদান তামিম দিয়েছেন ৪২ বলে ১৬০ স্ট্রাইক রেটে অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংস খেলে।
আজ ১১৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন তিনি, তাত কল্যাণে প্রথম দুই ওভারেই ২৫ রান তুলে নেয় লাল সবুজরা।
১০ বলে ৪ রান করে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ তামিমকে সঙ্গ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
দুজনের ব্যাটে ১০ ওভারের মধ্যে ৮১ রানে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। ৫ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ৩২ বলেই ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি তুলে নেন তানজিদ। তার সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলীয় ১০৯ রানে বিদায় নেন শান্ত। ৩৩ বলে ৫ চারের মারে ২৭ রান করেন তিনি।
অন্যদিকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তানজিদ।ফলে ৫০ ওভারের খেলা মাত্র ১৫.১ ওভারেই শেষ হয়।আর বাংলাদেশ প্রায় ৩৫ ওভার হাতে রেখেই পায় বিশাল ৮ উইকেটের জয়।




