পাকিস্তানে গিয়ে তাদেরকেই টেস্ট সিরিজে হোয়াইট হোয়াশ। ঘরের মাঠেও সাদা বলের ফরম্যাটে জয়। দুই জায়গায় বাংলাদেশের ট্রাম্প কার্ড ছিল বোলিং আক্রমণ।
বিশেষ করে পেস বোলিং দক্ষতাই বাংলাদেশকে এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত জয়। ঘরের মাঠে তাই বল হাতেই প্লান সাজাতে চাইবে বাংলাদেশ দল। আর সেখানেই পেসকে ফ্রন্টলাইনে রেখে হবে বাংলাদেশ বোলিং আক্রমণ।
একাদশে তিন পেসার জায়গা পাচ্ছেন এটা অনেকটা নিশ্চিত। পিচ ও প্রতিপক্ষের দুর্বলতার জন্য স্কোয়াডেও আছেন চার পেসার।
তার মাঝে একাদশে জায়গা নিশ্চিত গতিশীল পেসার নাহিদ রানার। র পেসে পাকিস্তানের জন্য বরাবরই আতঙ্কের কারণ নাহিদ।
টেষ্ট, অডিয়াই বা পিএসএল, কোথাও নাহিদকে সামলাতে পারেনি পাকিস্তানি ব্যাটাররা। আরো একবার পাকিস্তানকে ভড়কে দিতে নাহিদই হবেন ভরসা।
নাহিদের সাথে একাদশে সুযোগের দৌড়ে এগিয়ে শরীফুল ইসলাম। নতুন বলে শরীফুলের সুইং, লেন্থ এমনিতেই প্রতিপক্ষের জন্য হয় ভয়ঙ্কর। এরপর বেশ ফর্মে আছেন এই পেসার। আবার দলে বাহাতি পেসারের জন্যও শরীফুল হবেন আদর্শ।

যে কারণে শরীফুল ইসলামকেও রাখা হবে একাদশে, এটাও চুড়ান্ত অনেকটা।
তৃতীয় পেসার নিয়েই আছে ধোয়াশা। তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন, দুইজনই একই ধাচের বোলার। এবাদত সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন টেস্টে, ঘরোয়া আসরেও আছেন ফর্মে।
তবে ইঞ্জুরির পর আন্তজার্তিক ক্রিকেটে সেরকম নিয়মিত নন এবাদত। যদিও ঘরোয়া আসরে ফর্মে আছেন, তবে আগের মত এখন ভরসাযোগ্য হতে পারেননি তিনি। বিপরীতে তাসকিন কার্যকর বেশ, তবে তার ফর্ম নিয়ে আছে ধোয়াশা।
আবার লং টার্ম বোলিংএ এবাদতের চেয়ে পিছানো তিনি। এরপরও অভিজ্ঞতা ও আন্তজার্তিক নিয়মিত খেলার জন্য শেষ পর্যন্ত তাসকিন থাকবেন এগিয়ে।
সহ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ থাকছেন নিশ্চিতভাবে। স্পিন আক্রমণে তার সাথে থাকবেন বাহাতি তাইজুল ইসলাম। এই দুইজন লম্বা সময় ধরে জুটি গড়তে চাইবেন স্পিন আক্রমণে।
আবার ব্যাট হাতেও টেল এন্ডে দায়িত্ব থাকবে দুইজনের, বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে অন্তত ভালো করার প্রত্যাশা থাকবে মিরাজের উপর। স্কোয়াডে নাইম থাকলেও একাদশে সুযোগের সম্ভাবনা তার নেই বললেই চলে।
সব মিলিয়ে এটাই হতে পারে বাংলাদেশ সম্ভাব্য টেস্ট বোলিং লাইনআপ। এবার দেখা যাক, পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত কাদের বল হাতে লড়াইয়ে নামায় টাইগাররা।




