মৌসুমের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ক্লাব ও জাতীয় দলে পারফর্ম করছেন সমানতালে।
তবে ৩৪ এর ক্যাসিমিরোর বিদায়টা তাতেও যেন ঠেকানো যাচ্ছেনা। মৌসুম শেষ এবার ইউনাইটেড ত্যাগ করছেন এই মিডফিল্ডার।
এমনকি ইউরোপও ত্যাগ করতে পারেন তিনি। গুঞ্জন আছে ইউরোপের বাইরে কোথাও ক্যারিয়ারের শেষটা কাটাবেন ক্যাসে। আর সেখানেই আলোচনায় মেসির মায়ামি।
যা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে স্বয়ং ট্রান্সফারমার্কেটের গুরু খ্যাত ফ্যাব্রিজিও রোমানো। সেখানে ক্যাসেকে নিয়ে এক ভিডিও বার্তাও দেন এই ইতালিয়ান সাংবাদিক।
সেখানে তিনি নিশ্চিত করেন এই মৌসুমে ক্যাসিমিরোর ক্লাব ছাড়ার কথা। একইসাথে সৌদি ও এমএলএস থেকে আগ্রহের কথাও জানান।
রোমানোর মতে গত মার্চ থেকেই ক্যাসিমিরোর সাথে কথা বলে আসছে ইন্টার মায়ামি। এমনকি মায়ামি বেশ শক্তভাবে তাকে নেওয়ার কাজ চালাচ্ছে বলেও জানানো হয় তার ইউটিউব ভিডিও থেকে।
এই মুহুর্তে মায়ামির চাওয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্যাসে, সেটাও নিশ্চিত করেন রোমানো। এর বাইরে ট্রিবুনা, ডায়েরি এএস থেকেও এসেছে সংবাদ।
নিজের ভিডিওতে রোমানো বলেন “ “আমাকে জানানো হয়েছে যে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
মৌসুম শেষে ক্যাসেমিরো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাচ্ছেন। অন্তত আজ পর্যন্ত এটাই অবস্থা। আমার ধারণা অনুযায়ী, সৌদি আরব থেকে কিছু প্রস্তাব এসেছে।
তবে এমএলএস এখনো একটি শক্তিশালী, বাস্তবসম্মত অবস্থায় আছে, তাদের নির্দিষ্ট সম্ভাবনা আছে ।আমি আগেও কয়েকবার বলেছি, এই আলোচনায় ইন্টার মায়ামিও রয়েছে। এবং এখনো সেটাই সত্য।
মার্চ মাস থেকেই ইন্টার মায়ামি ক্যাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর জন্য কঠিনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমার মতে, ইন্টার মায়ামি সত্যিই কাসেমিরোকে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী।”
যদিও এখানে একটা যদি কিন্ত আছে। আর সেটা মায়ামির স্যালারি ক্যাপ। মেসিকে বেতন দিতেই স্যালারির বড় অংশ যায় মায়ামির, যে কারণে অন্যদের বেতন দিতে হচ্ছে তুলনামূলক কম।
সেখানে ক্যাসিমিরোকে আনতে হলে বেতনের অনেকটা ছাড় দিতে হবে এই মিডফিল্ডারকে।
বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে বাৎসরিক ২৪ মিলিয়ন পান ক্যাসে। তবে এমএলএসে মায়ামিতেই যদি আসেন, সেক্ষেত্রে তার বেতন হতে পারে ১.৮ মিলিয়ন। অপরদিকে সৌদি ক্লাবরা তাকে চড়ামুল্যে ও বেতনে নেওয়ার জন্যই থাকবে বসে। শেষ সময়ে এসে ক্যাসে বেতন এমন কমাবেন কিনা, সে প্রশ্ন থাকবে।
তবে ক্যাসিমিরো আসলে সেটা হবে দারুণ এক দৃশ্য। মাঠে মেসিকে থামানোর জন্য যার উপর ছিল সেই দায়িত্ব, সেই ক্যাসেই যদি মাঠ মাতান মেসির সঙ্গে, সেটা হবে ফুটবলের অন্যরকম সৌন্দর্য।




