মেজর লীগে অনেকগুলো দল! আর সেই দলগুলোতে বড় বড় স্কোয়াড,খেলছেন অতিত বর্তমানের অনেক তারকারাও।যাদের সবাইকে মিলে বছরে বেতন দেওয়া হয় ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি।
তবে এর মধ্যে লিওনেল মেসিই বছরে বেতন পান ৩৪৮ কোটি টাকা।যার আশেপাশেও নেই কেও।
মেসি যদি সৌদি লীগে যেতেন তিনি আরো দ্বিগুনের বেশি বেতন হয়তো পেতেন, কিন্তু মেজর লীগ থেকেও এতো পরিমান বেতন পাওয়া দেখে অনেকের চোখ কপালে ওঠাই স্বাভাবিক।
মেজর লিগ সকারের খেলোয়াড় ইউনিয়নের প্রকাশিত সর্বশেষ বেতন তালিকায় উঠে এসেছে এই চমকপ্রদ তথ্য।
গত অক্টোবরে লিওনেল মেসি যে নতুন চুক্তিতে ইন্টার মায়ামি-র সঙ্গে সই করেছিলেন, সেটিই তাকে ২০২৮ মৌসুম পর্যন্ত ক্লাবটিতে রাখবে। নতুন চুক্তির ফলে তার মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
সব মিলিয়ে তিনি নিশ্চিতভাবেই বছরে আয় করবেন ২৮.৩ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকার সমান।অর্থাৎ ২৬-২৮ এই তিন বছরে তিনি প্রায় ১০৪৪ কোটি টাকা শুধু বেতনই পাবেন।
তবে এই হিসাবের মধ্যে স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন কিংবা ক্লাবের মালিকানার অংশ কেনার সুযোগ অন্তর্ভুক্ত নয়।
সেগুলো যুক্ত হলে মেসির মুল্যায়ন যে নজিরবিহীন ভাবেই হচ্ছে তা নিশ্চিত। উল্লেখ্য, ইন্টার মায়ামির সহ-মালিক ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ডেভিড বেকহ্যাম।চাইলে মেসিও হতে পারেন ভবিষ্যতে।
৩৮ বছর বয়সী মেসি আগামী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল-এর শিরোপা রক্ষার মিশনে নেতৃত্ব দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইন্টার মায়ামির হয়ে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৬৪ ম্যাচে ৫৯ গোল করেছেন তিনি।
শত গোল-এসিস্ট ছাড়িয়েছেন এই অল্প সময়েই। গত মৌসুমে ২৯ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি টানা দ্বিতীয়বারের মতো টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
বেতনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা সন হিউং-মিন। গত আগস্টে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি-তে যোগ দেওয়া এই ফরোয়ার্ডের নিশ্চিত পারিশ্রমিক ১১.২ মিলিয়ন ডলার।
যা মেসির অর্ধেকের কম।জানা গেছে, তাকে দলে আনতে এমএলএস রেকর্ড ২৬ মিলিয়ন ডলার ট্রান্সফার ফি খরচ করেছে ক্লাবটি।
তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন মেসির সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল, যার নিশ্চিত আয় ৯.৭ মিলিয়ন ডলার।
চতুর্থ স্থানে মেক্সিকোর হিরভিং লোজানো, যার আয় ৯.৩ মিলিয়ন ডলার। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মিগুয়েল আলমিরন, যার নিশ্চিত পারিশ্রমিক বছরে ৭.৯ মিলিয়ন ডলার।
লিওনেল মেসি যেখানেই যাবেন সেখানেই রাজত্ব করবেন, এটিই স্বাভাবিক। আর যুক্তরাষ্ট্রতেও করছেন তা-ই!




