নতুন এক অভিজ্ঞতার সামনে জামাল-তপু-হামজারা।কেননা ইউরোপিয়ান দলের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছেন তারা।
ইউরোপীয় কান্ট্রি সান মারিনোর বিপক্ষে বাফুফের প্রিতি ম্যাচের পাশাপাশি, অন্য একটি ফ্রেন্ডলি টুর্নামেন্টেও দল দিবে বাফুফে।
প্রথমে বলা হয়েছিলো সেই দলের সাথেই রাখা হবে জিকোকে।তবে তা নয়,মুল দলেই এবার জিকোকে রাখা হতে পারে।
বর্তমানে জাতীয় দলের কোনো কোচ নেই,প্রধান কোচের সন্ধানেই আছে বাফুফে।তবে সেই নতুন কোচের আন্ডারে প্রথম ম্যাচ কাদের নিয়ে হবে তা প্রায় ঘোচানো।
আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়াও শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
আজ বুধবার ভিসার জন্য আবেদন করা ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো,যা শিরোনাম হওয়ায় স্বাভাবিক।
এক সময় জাতীয় দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গোলকিপার ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি টুর্নামেন্ট -সেরা গোলকিপারের স্বীকৃতি পান।
তবে শৃঙ্খলাজনিত কিছু ইস্যু এবং সাবেক কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন জিকো।
চলতি মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসর হয়ে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স করলেও প্রথমে সান মারিনো সফরের পরিকল্পনায় ছিলেন না জিকো।
তাকে রাখা হয়েছিল মালদ্বীপে অনুষ্ঠিতব্য চার জাতি টুর্নামেন্টের দলে। তবে শেষ পর্যন্ত চারদিকের সমালোচনায়,বাফুফে সান মারিনো সফরের জন্যও তার ভিসা করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অধিনায়ক জামাল ভূইয়া, হামজা চৌধুরি ও শমিত সোম’র বিদেশি পাসপোর্ট থাকায় তাদের আলাদা ভিসার প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্যদিকে তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, মিতুল মারমা, শেখ মোরসালিনসহ আরও কয়েকজন ফুটবলার ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েছেন।
বর্তমান স্কোয়াডের কারোই ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা নেই।তাই এটিই হতে যাচ্ছে তাদের নতুন এক অভিজ্ঞতা!




