তামিম ইকবাল সভাপতি হওয়ার পর বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলো রিয়াদের নাম।
২০২৮ সালের যুব বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ইতোমধ্যে সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের নিয়ে দল গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ আয়োজনের পাশাপাশি ৫০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে বিশেষ ট্রেনিং ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যৎ তারকাদের গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কাজ চলছে।
যুব দলের কোচিং স্টাফ নিয়েও কিছুদিন ধরেই অনিশ্চয়তা ছিল। বিশেষ করে প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজ দায়িত্বে থাকবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী চক্রেও তাকে যুব দলের প্রধান কোচ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
এরই মধ্যে বড় চমক দিতে যাচ্ছে বিসিবি। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-কে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টর হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে চাপ সামলানো, ম্যাচ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তরুণদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মাহমুদউল্লাহর। বিসিবি মনে করছে, তার এই অভিজ্ঞতা তরুণ ক্রিকেটারদের পরিণত হতে সাহায্য করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য আরও প্রস্তুত করে তুলবে।
এদিকে, জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক-কে ইতোমধ্যেই হাই-পারফরম্যান্স ইউনিটের স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় মাহমুদউল্লাহকে যুব দলের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়েছে এবং ২০২৮ সালের যুব বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাকে মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ওই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ বাংলাদেশ।
বিসিবির এক কর্মকর্তা জানান, জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কোচিং ও মেন্টরিংয়ে যুক্ত করার কৌশল থেকেই এই উদ্যোগ। তার মতে, রাজ্জাক ও মাহমুদউল্লাহ তিন সংস্করণেই দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, ফলে তাদের অভিজ্ঞতা তরুণদের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।
দায়িত্বের অংশ হিসেবে যুব দলের ক্যাম্প চলাকালে মাহমুদউল্লাহ নিয়মিত সময় দেবেন এবং দেশ-বিদেশের সিরিজ বা টুর্নামেন্টেও দলের সঙ্গে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে মাঠের পাশাপাশি মাঠের বাইরের দিকগুলোতেও তরুণরা দিকনির্দেশনা পাবে।
অন্যদিকে, জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা-কে নিয়েও আলোচনা চলছে। বর্তমানে ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও, ভবিষ্যতে তাকে বিসিবির কোনো দায়িত্বে দেখা যেতে পারে কিনা,তা নির্ভর করছে সময় ও পরিস্থিতির ওপর। বিশেষ করে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।




