এবারের বিশ্বকাপে যত তারকা বিশ্বকাপে খেলেছেন,তাদের মধ্যে ফিলিস্তিনের পক্ষে সবচেয়ে বেশি সাহসি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লামিন ইয়ামাল।
প্রায় সবসময়, সবজায়গায় ফিলিস্তিনের মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন তিনি,এবংকি লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় তার ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানোকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছিলো চরমে।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘ইসরাইলবিরোধী ঘৃণা উসকানি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও, তখন প্রকাশ্যে ইয়ামালের পক্ষ নিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।
যখন লা লিগা শিরোপা উদযাপন উপলক্ষে বার্সেলোনার রাস্তায় ছাদখোলা বাসে বিজয় শোভাযাত্রা করে বার্সেলোনা। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ সমর্থকের উপস্থিতি ছিল।
উদযাপনের এক পর্যায়ে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায় ১৯ বছর বয়সি ইয়ামালকে। সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনার পর ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ অভিযোগ করেন, একটি ফুটবল মঞ্চ ব্যবহার করে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা ইসরাইলের বিরুদ্ধে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তার এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম নেয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তিনি লেখেন, “যারা একটি রাষ্ট্রের পতাকা ওড়ানোকে ঘৃণা উসকানি হিসেবে দেখে, তারা হয় বিচারবোধ হারিয়েছে, নয়তো নিজেদের অবস্থানের কারণে অন্ধ হয়ে গেছে।”
সানচেজ আরও বলেন, “লামিন কেবল সেই সংহতির প্রকাশ করেছে, যা লাখো স্প্যানিয়ার্ড ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি অনুভব করেন। এটি তাকে নিয়ে গর্ব করার আরও একটি কারণ।”
এছাড়াও বিশ্বকাপের মাঝে কিংবা বার্সেলোনার হয়ে খেলার মাঝে একাধিকবার ফ্রি-প্যালেস্তাইন বলে স্কোগান দেন লামিন ইয়ামাল।অবশ্য দেশটির প্রধানমন্ত্রীও লামিনের মতের সাথে একমত,ইরানের পক্ষে আমেরিকার বিপক্ষেও দাঁড়ায় দেশটি।
প্রসঙ্গত আজ রাত ১ টায় নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামছে লামিমের স্পেন।




