একটা সময় পারফর্মেঞ্চ নিয়ে কথা শুনতে হয়েছিল বেশ। পরিশ্রম করে এরপর পারফর্মেঞ্চে আনেন বদল, হয়ে যান ব্রাজিলিয়ানদের নয়নের মনি।
এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আশার প্রতীক ছিলেন, তবে দলগতভাবে সাফল্য মেলেনি সেভাবে। সবার আশা ছিল ভিনি আরো শক্তিশালী ভাবে ফিরে আসবেন। তবে ভিনিসিয়াস জুনিয়ার ফিরে এসেছেন তার পরিবর্তিত চেহারা নিয়ে।
এক নজরে আপনি দেখে বুঝতেই পারবেননা, এটা ভিনিসিয়াস। লাতিন তারকার চেহারার অবয়ব যে বদলে গেছে পুরোপুরি।
এমনকি ভিনিসিয়াস নিজে ছবি প্রকাশ না করলে তাকে নিয়মিত ফলো করা মানুষদের জন্যও তাকে চেনা হত দায়। এতটাই বদলে গেছেন এই তারকা
বিশ্বকাপের পর ছুড়ি কাচির নিজে যান ভিনিসিয়াস। সেখানেই প্লাস্টিক সার্জারি করা হয় তার শরীরে।
সেই সার্জারি করে চেহারা থেকে অতিরিক্ত মাংস অপসারণ করেন ভিনি। বিশেষ করে সাধারণতভাবেই ভিনির চোয়াল একটু মাংসসমৃদ্ধ ছিল।
এছাড়া গালও ছিল একটু প্রসস্ত। তবে এবার নিজে সেইসব অংশ পরিবর্তন করলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
প্লাস্টিক সার্জারি শেষে চিবুকের অতিরিক্ত মাংস অপসারণ করেন তিনি। এরপর পুরো গালে আনেন তার সামাঞ্জস্য। ফলে তার চেহারায় অতিরিক্ত জমে থাকা ফ্যাট অংশ আর নেই। যে কারণে যেন একদম বদলেই গেছে তার অবয়ব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। কেউ ভিনির এমন পরিবর্তনকে স্বাগতম জানিয়েছেন।
আবার কারো মতে ভিনি তার সাধারণ চেহারাকেই নষ্ট করে ফেলেছেন। আবার অনেকে মনে করেন ভিনিসিয়াসের নামে অনেকে কটাক্ষ করে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। তাদের কথার প্রেক্ষীতেই নাকি চেহারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ভিনির।
সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, এতটা পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হলো তা নিয়ে। কারণ ভিনিসিয়াসের পুরোনো ছবি আর নতুন ছবি পাশাপাশি রাখলে সত্যিই পার্থক্যটা চোখে পড়ার মতো।
অনেকেই তো প্রথম দেখায় তাকে চিনতেই পারছেন না। অনেকে আবার অনেক তারকা ও মানুষের সাথে ভিনিসিয়াসকে তুলনা করছেন, তা নিয়েও মেতে উঠেছে সবাই।
তবে ঘটনা যাই হোক, নতুন চেহারায় নতুন শুরুর বিশ্বাসই রাখবেন ভিনিসিয়াস জুনিয়ার। বিশ্বকাপের মৌসুম শেষ তার জন্য আগেই।
ক্লাবের খেলায় যোগ দেওয়ার আগে ছুটি আর অপারেশন সেরে নিয়েছেন আগে। ভিনি জানেন, তার সামনে এখনও অনেক দায়িত্ব অপুর্ণ। নিজেকে ফ্রেশ চেহারায় এনে সেই দায়িত্ব পুরোদমে শুরু করুক ভিনিসিয়াস, নিজে ও দলকে নিয়ে যাক সাফল্যের বন্দরে, এটাই চাওয়া তার ভক্তদের।




