গত বিশ্বকাপ জিতেছেন একসাথে। এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে এসে শিরোপা থেকে এক ধাপ দূরে থেকেছেন।
ফাইনালে নিশ্চয়ই এনহেল ডি মারিয়াকে মনে করেছেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। হয়ত ভেবেছিলেন, আজ ডি মারিয়া থাকলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতেন তিনি।
মাঠে ডি মারিয়া ছিলেন না। বাস্তবতাই তাকে থাকতে দেয়নি আর্জেন্টিনার জার্সিতে। তবে মাঠের বাইরে মেসিদের পাশে ঠিকই এসে দাড়ালেন ডি মারিয়া।
ম্যাচ হারের পর মেসির পাশে এই সাবেক আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। এমনকি ফাইনাল হারের পরও মেসিকে প্রশংসায় এক বিন্দু কমতি রাখলেন না সাবেক আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।
যেখানে নিজের করা পোষ্টে লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। একইসাথে বেশ কয়েকবার মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ তাকে ধন্যবাদ জানান ডি মারিয়া।
৩৯ বছরে এসে মেসির কীর্তির জন্য ডি মারিয়ার পক্ষ থেকে মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতার ফুলঝুরি থাকে সেখানে।
আর্জেন্টিনার হয়ে একের পর কীর্তি করেছেন মেসি। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে গেছেন ৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে, জিতিয়েছেন একবার।
দুইবার হয়েছেন আসরের সেরা খেলোয়াড়। এর বাইরেও দেশটির সেরা খেলোয়াড় তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসি নিজের ও দেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছেন বেশ।
সেই বিষয়টিও নিজের পোষ্টে তুলে ধরেছেন ডি মারিয়া। একইসাথে খেলোয়াড় ও ব্যাক্তি এই দুই স্বত্তারই প্রশংসা করে আলাদা ধন্যবাদ দেন সাবেক পিএসজি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা
এ নিয়ে নিজের পোষ্টে মারিয়া বলেন “ লিওনেল মেসিকে ধন্যবাদ আর্জেন্টিনার আর্জেন্টাইন হওয়ার জন্য। তোমাকে ধন্যবাদ বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানে আমাদের পতাকা উত্তোলনের জন্য।
খেলোয়াড় ও ব্যাক্তি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তুমি সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় ”
একটা সময় আর্জেন্টিনার হয়ে সাফল্য পাওয়াটাই ছিল মেসি-ডি মারিয়াদের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, বিশ্বকাপও এসেছে।
কিন্তু এবারের ফাইনালে মেসির পাশে মাঠে থাকতে না পারাটা নিশ্চয়ই ডি মারিয়ার জন্যও সহজ ছিল না। ফাইনাল শেষে ডি মারিয়া হয়তো মেসিকে সান্ত্বনা দিতে পারেননি, কিন্তু তাঁর কথাগুলোই হয়ে উঠেছে বন্ধুর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
মেসি হয়তো আরেকটি বিশ্বকাপ জিততে পারেননি, কিন্তু আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর অবদান নিয়ে কোনো প্রশ্নই নেই। আর ডি মারিয়ার ভাষায়, এমন একজন মানুষ ও খেলোয়াড়কে আর্জেন্টাইন হিসেবে পাওয়া—এটাই তো তাদের সবচেয়ে বড় গর্ব।




