এক যুগ আগে বার্সেলোনাতে যে জুটির হয় শুরুর। একের পর এক শিরোপা জিতে যারা ঘুচে দেয় ভৌগলিক ব্যাবধান।
মেসি ও নেইমার, দুই দেশের দুই বড় তারকা পরিণত হন বন্ধুতে। এরপর বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দেন নেইমার জুনিয়ার।
একটা সময় নেইমির পরামর্শেই সেখানে আসেন লিওনেল মেসি
যদিও ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে আবারো দুইজনের একসাথে সম্পর্ক ছেদ হয়। লিওনেল মেসি ক্লাব ছাড়েন, নেইমারও ছাড়েন। দুইজন চলে যান আলাদা দুই মহাদেশে।
তবে আবারো এক হওয়া দৌড়ে এই দুইজন। আবারো এক ক্লাবের হয়ে মাতাতে পারেন মাঠ।
ফক্স স্পোর্টস, মার্কা, ওয়ান ফুটবল সহ একাধিক গণমাধ্যম এ নিয়ে প্রকাশ করেছে সংবাদ।
এ নিয়ে কথা বলেছেন নেইমারের সাবেক সতীর্থ ও ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার ফিলিপে মেলোও।
সেখানে এক ভিডিওতে মেলো জানান, তার সাথে নেইমির এই বন্ধুর সাথে কথা হয়েছে। সেখানে নেইমার জানান, তিনি মায়ামিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ভাবছেন। সান্তোস শেষে সেখানেই যোগ দেন নেইমার।
একাধিক গণমাধ্যমও প্রকাশ করে সে খবর। আল হিলাল ছেড়ে সান্তোসে গত বছর যোগ দেন নেইমার জুনিয়ার। সেই চুক্তি শেষ হবে এই বছরের ডিসেম্বর মাসে। এরপর নেইমার জুনিয়ার জানিয়েছেন তিনি আর নবায়ন করবেননা ক্লাবের হয়ে চুক্তি। সেক্ষেত্রে সান্তোস ছাড়ার ঘোষণা দেন আগে।
আর সেখানেই নেইমির সাথে নেগোশিয়শনে যেতে পারে আমেরিকান ক্লাব ইন্টার মায়ামি। দলের এর মাঝে আছে তারকার মেলা। কিছুদিন আগে দলে যোগ দিয়েছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান ক্যাসিমিরো হেনরিক। সেখানে নেইমারকে পাওয়া গেলে মোটেও মন্দ হবেনা মায়ামির জন্য।
আবার শেষবেলায় আরো একবার মেসি ও সুয়ারেজের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন নেইমি। মায়ামিতে দেখা যাবে বার্সেলোনার সেই পুরোনো এমএসএন তৈরি। এছাড়া মেসির সব সাবেক সতীর্থরা নিজের শেষটা দেখছেন এই ক্লাবেই। আলবা, বুস্কেটসরা এই মায়ামিতে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন। সেক্ষেত্রে নেইমিও হয়ত চাইবেন মেসির সাথে থেকে শেষ করতে নিজের ক্যারিয়ার।
সব মিলিয়ে নেইমার মায়ামিতে যাবেন কিনা, সেটা জানা যাবে আগামী জানুয়ারিতে।
সেক্ষেত্রে নেইমার ও মায়ামির উভয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে তার গন্তব্য। তবে এমন কিছু হলে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা দুই দেশের ভক্তদের জন্য হবে খুশির সংবাদ। এবার দেখা যাক, সান্তোসের অধ্যায় শেষে কোথায় যোগ দেন ব্রাজিলিয়ানদের আবেগ নেইমার।




