কাভালরি এফসি ছেড়েছেন গত মৌসুমে। কানাডিয়ান ক্লাব ছাড়ার পর ফ্রি এজেন্ট ছিলেন দীর্ঘদিন। গুঞ্জন ছিল নানা ক্লাব নিয়েও।
সাবেক এমএলএস তারকার দিকে নজর ছিল নানা ইংলিশ ক্লাবের। এর বাইরে নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বিভাগেও যোগ দেওয়ার জন্য অনেকটা এগিয়েছিলেন সামিত। শেষ পর্যন্ত এই ক্লাবগুলোয় যোগ দেওয়া হয়নি সামিতের। তবে ক্লাবহীন হয়ে সামিত বসেও থাকেননি বেশিদিন।
আবারো আমেরিকায়ই ফিরেছেন এই বাংলাদেশী তারকা। আগামী মৌসুমে মাঠ মাতাবেন আমেরিকান ক্লাব নিউওয়ার্ক কসমসের হয়ে।
ফুটবল ভক্ত হলে নামটা আপনার চেনা লাগতে পারে। কেননা এই ক্লাবেই খেলেছেন অনেক রথী মহারথী ফুটবলার।
তার মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম ফুটবলেরই সর্বকালের সেরা তারকা পেলে। ৩ বার বিশ্বকাপজয়ী পেলে নিউওয়ার্ক কসমসের হয়ে খেলেছেন ৬৪ ম্যাচ, আছে ৩৭ গোল। ২ বছর নিয়মিত সদস্য ছিলেন এই ক্লাবের।
পেলের বাইরে ব্যালন ডি অর জয়ী ডিফেন্সের সর্বকালের সেরাদের একজন জার্মান বেকেনবাওয়ার দুইবার এই ক্লাবে এসে খেলেছেন।
সেখানে ১০০ এর অধিক ম্যাচ খেলে ৩ বার জিতেছেন শিরোপা।
এর বাইরে রাউল বা কার্লোস আলবার্তোর মত লিজেন্ডারি ফুটবলার খেলেছেন এই ক্লাবে। একটা সময় এমএলএসের আগে আমেরিকার অন্যতম বড় নাম ছিল নিউওয়ার্ক কসমস। এবার সেই ক্লাবের হয়েই মাঠ মাতাবেন সোম।
আনুষ্ঠানিকভাবে সোমকে চুক্তিবদ্ধ করলো নিউওয়ার্ক কসমস। যদিও বর্তমানে আমেরিকার তৃতীয় বিভাগে আছে তারা।
তবে আমেরিকান লীগে প্রমোশন না ডিমোশন হয়না। মুলত আগের সিস্টেম ভেঙে যাওয়ার পর এমএলএসে নতুন মালিকানায় জায়গা হয়নি কসমসের। যে কারণে তৃতীয় বিভাগে এসেই দল কিনে তারা, সেখানেই খেলছে নিয়মিত।
এর আগে কানাডার বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন সামিত। এমএলএসের বাইরে খেলেছেন কানাডার শীর্ষ লীগে বহুদিন।
জাতীয় দলের জার্সিতেও অভিষেক হয়ে গেছে তার, দলের হয়ে আদায় করেছেন গোল। ২৮ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের থেকে আগামী দিনে পাওনা ভারীই বাংলাদেশের।
তবে মাঝে ছিল ছোট্ট শঙ্কার জায়গা। যদি দীর্ঘদিন ক্লাবহারা থাকেন, তা প্রভাব পড়তে পারে পারফর্মেঞ্চ।
ফলে জাতীয় দল থেকেও আসতে পারে বাদ পড়ার গুঞ্জন, যা দেশের ফুটবলের ভালো কিছু আনত না। সেখান থেকে পেলের ক্লাবে যাওয়া দারুণ সংবাদ ভক্তদের।
নিয়মিত গেমটাইম পেয়ে সামিত আবারো হয়ে যাক ক্লাবের মধ্যমণি, আগামী দিনে আরো টপ টায়ারে সুযোগ পাক এটাই চাওয়া দেশের কোটি ফুটবল ভক্তের।




