জাতীয় দল ব্যাস্ত টেষ্ট সিরিজের জন্য। এ দল, ইমার্জিং দল, হাই পারফর্মেঞ্চ সবাই খেলছে নিজেদের সিরিজ।
তবে কোথাও নেই দেশসেরা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। জাতীয় দলে অবশ্য টেষ্ট ফরম্যাটে এমনেই বিবেচনায় থাকেননা ফিজ।
এর বাইরেও খেলায় নেই ফিজ। কারণটা অন্য কিছু নয়, তার ইঞ্জুরি। তবে এবার সুসংবাদ ভক্তদের জন্য। ইঞ্জুরি থেকে পুরোদমে সেরে উঠেছেন ফিজ। আগামী দিনে যেকোন ম্যাচই খেলতে পারবেন এই বাহাতি পেসার।
জিম্বাবুয়ে সিরিজের অডিয়াই ম্যাচে ইঞ্জুরিতে আক্রান্ত হন ফিজ। হ্যামস্ট্রিং এর গ্রেড ওয়ান ইঞ্জুরিতে পড়েন তিনি।
এর বাইরে হাটুতেও পান আঘাত। যে কারণে প্রাথমিকভাবে ৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে চলে যান এই পেসার। তাতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের চেয়ে বেশি ক্ষতি হয় মুস্তাফিজের নিজেই।
কেননা প্রথমবারের মত দ্যা হান্ড্রেড খেলার হাতছানি ছিল তার সামনে। তবে সেই হান্ড্রেডের আসর আর খেলা হয়নি এই পেসারের।
অবশ্য এ নিয়ে আফসোস নেই ফিজের। নিজের না পাওয়া ভুলে ফেরার দিকেই ছিলেন মনযোগী। ধীরে ধীরে রিহ্যাবের কাজটাও করতে থাকেন নীরবে।
সেখানে ২ সপ্তাহে আগে সর্বপ্রথম ইঞ্জুরি থেকে এসে হাল্কা অনুশীলন শুরু করেন। তবে এই ২ সপ্তাহে পুরোদমে উন্নতি হয়েছে ফিজের অবস্থা। বর্তমানে ফেরার জন্য সম্পুর্ণ প্রস্তত তিনি
নিজের ফেরার খবর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই জানান দেন ফিজ। বাংলার এই পেসার নিজের বোলিং এর ছবি প্রকাশ করেন ফেসবুকে।
সেখানেই ক্যাপশনে লেখেন তিনি ব্যাক ইন একশন৷ অর্থ্যাৎ নিজের কাজে আবারো ফিরেছেন তিনি, সেটাই জানান দিলেন ভক্তদের।
যে কারণে ফিজকে ঘিরে ভক্তদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হতে চলছে। নতুন করে আর ইঞ্জুরিতে না পড়লে আগামী দিনে বাংলাদেশের শর্টার ফরম্যাটের যেকোন সিরিজেই পাওয়া যাবে অভিজ্ঞ এই পেসারকে৷ আর এটাই বড় সুসংবাদ বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
বর্তমানে পেস বোলিংএ বিপ্লব চলছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে৷ তবে এখনও এই পেস আক্রমণের নেতা মুস্তাফিজই, বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে।
সাদাবলে ফিজের বিকল্প এখনও নেই বাংলাদেশের কাছে৷ তাই ফিজের ফেরাটা গুরুত্বপূর্ণ দেশের ক্রিকেটের জন্যও।
অবশ্য এখনই জাতীয় দলের হয়ে এসাইনমেন্ট থাকছেনা ফিজের। কেননা বাতিল হয়ে গেছে ভারত সিরিজ, ফলে খুব শীঘ্রি অডিয়াই বা টি২০ খেলা হচ্ছেনা বাংলাদেশের।
এর মাঝে ফিজের ডাক এসেছে দুবাই থেকে, তাদের দলে খেলার জন্য। সবকিছু ঠিক থাকলে ফ্রাঞ্চাইজী লীগ দিয়েই প্রত্যাবর্তন হতে পারে দেশের এই ক্রিকেট আইকনের। তবে যেখানেই খেলুক, ফিজের ফেরাটা বিশেষই বাংলার কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্য।




