ব্যাট হাতে আগে থেকেই ক্লাসিকাল। বয়সভিত্তিক দলের থেকেই পরিচিত দারুণ ব্যাটিং শৈলির জন্য।
এরপর সিনিয়ার পর্যায়েও সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বহুবার। তবে এবার টপ এন্ড টি২০ সিরিজে যেন নিজেকে অন্যরকমভাবে প্রমাণ করছেন আরিফুল ইসলাম।
নান্দনিক শটের সাথে দুর্দান্ত স্ট্রাইক রেট, আরিফুল যেন জানান দিচ্ছেন নিজেকে
নিউজিল্যান্ড এ দলের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে এদিন মাঠে নামে বাংলাদেশ ইমার্জিং।
তবে শুরুটা ভালো হয়নি ইমার্জিং দলের। কোন রান করার আগেই ফিরে যান জিসান আলম।
আরেক ওপেনার সোহান ২১ বল খেলে করেন ২৬ রান৷ অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও টিকতে পারেননি, করেছেন মাত্র ৩ রান। ৫১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে তখন বাংলাদেশ। আর তখনই হাল ধরেন আরিফুল ইসলাম, তাকে সঙ্গ দেন সাব্বির রহমান।
দুইজন মিলে চতুর্থ উইকেটে করেন ৯০ রানের জুটি। যেখানে বেশি আগ্রাসী ছিলেন আরিফুলই।
একের পর এক বাউন্ডারি হাকাতে থাকেন, একইসাথে রানের চাকা রাখেন সচল। সবকিছু মিলিয়ে বড় স্কোরের দিকে আগাতে থাকে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
শেষ পর্যন্ত ৭১ রানে থামে আরিফুলের ইনিংস। ৭ চারের সাথে সেখানে হাকান মোট ২ ছক্কা। একের পর এক খেলতে থাকেন দৃষ্টিনন্দন শট।
আর তাতেই শেষ পর্যন্ত ১৮২ রানের বড় স্কোর করে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। যে রান তারা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড এ দল, শেষ পর্যন্ত হারে ২৪ রানে। তাতে আরিফুলের ইনিংসই হয়ে যায় ব্যাবধান।
এর আগের ম্যাচেও ব্যাট হাতে অর্ধশতক হাকান আরিফুল। সে ম্যাচে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে খেলেন ৫৪ বলে ৬৬ রানের এক ইনিংস।
যেখানে ৫ চারের সাথে ২ ছক্কা হাকান তিনি। এর বাইরেও তার চেষ্টা ছিল দুর্দান্ত। তবে অপরপ্তান্তে সাপোর্ট না থাকায় সেখানে ম্যাচ জেতাতে পারেননি আরিফুল। এরপর তার স্ট্রাইক রেট নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেন৷ তবে এবার আরিফুল ম্যাচও জেতান, আবার স্ট্রাইক রেটেরও দেন জবাব।
সব মিলিয়ে আরিফুলের ব্যাটিংয়ে এখন সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে আগ্রাসনে। পরিস্থিতি বুঝে ইনিংস গড়ার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় গতি বাড়ানোর সামর্থ্যও দেখাচ্ছেন তিনি।
বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পরিচিত প্রতিভা এবার ধীরে ধীরে বড় মঞ্চের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন। টানা দুই ম্যাচে অর্ধশতক তাই কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন সম্ভাবনারও বড় ইঙ্গিত।




