বয়স ৩০ ছুই ছুই। জাতীয় দলেও নিয়মিত নন, দলে সুযোগ পেলেও সেভাবে হয়না ম্যাচ খেলার সুযোগ। এর মাঝে আছে ইঞ্জুরি সমস্যা, যেটা ভুগিয়ে যাচ্ছে বহুদিন ধরেই। এমন মুহুর্তে পাওলো দিবালার সামনে অফার ছিল বিশাল অঙ্ক কামানো। বর্তমান ক্লাবে তিনি যা বেতন পান, তার আট গুণ বেতন কামানোর উপায় ছিল তার। ৩ বছরে পাওলো দিবালা পেতেন প্রায় হাজার কোটি টাকা, বর্তমান ক্লাবের বেতনে যা হয়ত সারাজীবনেও পেতেন না দিবালা। তবে দিবালা ফিরিয়ে দিলেন সেই লোভনীয় প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে থেকে গেলেন, শুধুমাত্র দলে ফেরার জন্য, পরিবারের জন্য।
দিবালা সৌদি আরবে যাবেন, এমন কথাই ঘুরপাক খাচ্ছিল। আল কুরাইশের দেওয়া ৭৫ মিলিয়ন টেবিলে রাখাই ছিল, শুধু দিবালার শেষ মুহুর্তে হ্যা বলাটা বাকি ছিল। তবে সেখানে দিবালা হ্যা বলেননি, সৌদির প্রস্তাব ফিরিয়ে আগামী সিজনেও ইতালিয়ান ক্লাব রোমার হাল ধরতে প্রস্তত তিনি। এবার এই সম্পর্কে নিজের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন এটাকিং মিডফিল্ডার।

দিবালার কথা পরিষ্কার, টাকার চেয়ে তার কাছে প্রধান্য পেয়েছে তার ক্যারিয়ার, জাতীয় দলে ফেরার তাড়না ও পরিবার। এই কয়েকটি বিষয়কে উল্লেখ করে দিবালা বলেন “ সবাই আসলে টাকার বিষয়টা উল্লেখ করছে। তবে আমি কয়েকটা বিষয় বিবেচনার ক্ষেত্র হিসেবে রেখেছি। যার মধ্যে ছিল আমার পরিবার, আমার স্ত্রী, আমার দল, এই শহর, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমার জাতীয় দলে ফেরার দিক”
দিবালা আরো বলেন তার পরিস্থিতি থেকে সৌদি আরবে যাওয়াটাই তার জন্য ভুল কিছু হতে পারত না। তার বয়স, ইঞ্জুরি ও জাতীয় দলে বাইরে থাকা এইসব অনেক পরিস্থিতি তার জন্য সৌদি যাওয়াকে প্রভাবিত করতে পারত। তবে সেইসব বাধা থেকে খুব শীঘ্রি নিজেকে পার করতে চান দিবালা। আর সেখানেই দিবালা জানান “ আমি ৩০ বছর বয়সী একজন। আমার নিজেকে নিয়ে ভালো বোধ হচ্ছে। যদিও আমার ইঞ্জুরি সমস্যা আছে যা নিয়ে আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। অবশ্যই আপনি এটা বলতে পারেন যখন আপনি টাকা দেখবেন আপনি অনেক কিছু ভাবতে পারবেন না। তবে আমি টাকার বাইরেও অনেক বিষয় দেখেছি। যে কারণে আমি এই সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি”
দিবালার এই সিদ্ধান্তে এক জিনিস পরিষ্কার, খুব শীঘ্রি জাতীয় দলে ফিরতে চান দিবালা। দিবালার এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তাকে ভালো ফলাফল প্রদান করুক, এটাই চাওয়া সমর্থকদের।




