বড় ভাই জিওভানি সিমিওনে নাপোলির নিয়মিত মুখ। নাপোলির হয়ে গত দুই সিজনে খেলেছেন ৭০ ম্যাচ। এই সিজনেও ইতালির এই ক্লাবটির হয়ে নিয়মিত মাঠ মাতাতে দেখা যাচ্ছে জিওভানিকে। বড় ভাই জিওভানির পথ ধরলেন এবার ছোট ভাই জিওলিয়ানো সিমিওনে। শেষ ম্যাচে একাদশে সুযোগ পেয়ে দুর্দান্ত খেললেও পাননি গোল। লাস পালমাসের বিপক্ষে পুরণ করেন সে অভাব। আর তাতে জয় পায় তার ক্লাব।
বড় ভাই নাপোলিতে খেললেও ছোট ভাই খেলেন বাবার ক্লাব এথলেটিকো মাদ্রিদে। সেখানে আলভারেজ, সরলথ, গ্রিজম্যানদের মত তারকাদের ভীরে একাদশে জায়গা মিলত না নিয়মিত৷ তবে শেষ দুই ম্যাচে একাদশে সুযোগ পান জিওভানি৷ এর আগে কোপা দেল রে ম্যাচে গোল না পেলেও তার খেলা মুগ্ধ করে সবাইকে। তবে এবার গোলের আফসোস পুরণ করেন সিমিওনে।
আরও পড়ুনঃ- অবহেলিত ক্যাসিমিরো, দুর্দান্ত পারফর্ম করেও দলে মিললোনা সুযোগ
লা লীগায় এথলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে লাস পালমাসের বিপক্ষে গোল করেন সিমিওনে। এদিন ম্যাচের ৩৭ মিনিটে তার পা থেকে আসে গোল। নিজ দেশের সতীর্থ রাইট ব্যাক মলিনার এসিস্ট থেকে আসে সে গোল। নিজেদের অর্থ থেকে দারুণ এক লং বল দেন মলিনা। আর অফসাইড ট্রাপ ও একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে সে বল পান সিমিওনে। প্রথমে মনে হচ্ছিল কাউকে পাস দিবেন তিনি৷ তবে শেষ পর্যন্ত নিজেই নেন শট। আর সে শট জালে পৌছালে গোল আদায় হয় সিমিওনের।
শুধু গোল নয়, সিমিওনে নজর কাড়েন তার পারফর্মেঞ্চ দিয়েও। উইঙের পাশাপাশি মিডে খেলতে পারেন, পাসিংএ বেশ দারুণ। এর বাইরে তার গতি বিপক্ষ দলকে বিপদে ফেলতে পারে বেশ। চাঞ্চ ক্রিয়েশন, লং বল ও ড্রিবলিংও করেন যুতসই। সব মিলিয়ে বাবার মত দারুণ এক প্যাকেজ হতে পারেন জিওলিয়ানো সিমিওনে।
এমন পারফর্মেঞ্চে আর্জেন্টিনা দলে সুযোগ মিলতে পারে সিমিওনে। আর্জেন্টিনা দলে তেমন উইঙ্গার নেই। আর সেখানে ইঞ্জুরিতে আছেন দলের নিয়মিত মুখ নিকো গঞ্জালেস। তার ইঞ্জুরি কপাল খুলে দিতে পারে সিমিওনের। অন্তত সেখানে বদলি নেমেও নিজের ক্ষমতা দেখাতে পারেন এই তরুণ। এর আগে আর্জেন্টিনার যুব দলে খেললেও খেলা হয়নি মুল দলে। এবার দেখা যাক, সেই সুযোগ মেলে কিনা জিওলিয়ানোর। আর সে সুযোগ মিললে ক্লাবের মত জাতীয় দলেও নিজের ঝলক দেখাক সিমিওনে পুত্র, এটা চাওয়া সবার।




