বিপিএলের সবচেয়ে শক্তিশালী দল, অনেকটা আইপিএল মানের দল গড়েছে ফরচুন বরিশাল। দলের অবস্থা এতই শক্তিশালী যে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের টি২০ অধিনায়ক নাজমুল শান্তের নিজ দলের একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাই কম।
বরিশাল দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এই বাহাতি ব্যাটসম্যান ও বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান থাকবেন ওপেনিং। গত আসরের মত এই আসরেও হাসুক তামিমের ব্যাট, দল জিতুক শিরোপা এমন চাওয়া ভক্তদের। তামিমের সাথে ওপেনিং পার্টনার হিসেবে দেখা যাবে উইন্ডিজ অলরাউন্ডার কাইল মায়ার্সকে। গত আসরে বরিশাল দলকে শিরোপা জেতাতে ব্যাটে বল বড় ভুমিকা পালন করেন মায়ার্স। এই আসরেও এই অলরাউন্ডারের উপর বাজি রাখবে বরিশাল। নাম্বার তিনে বরিশালে খেলবেন জাতীয় দলের সব ফরম্যাটের স্থায়ী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।এর পরেই টি২০ তে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বড় নাম তাওহিদ হৃদয় খেলবেন ৪ নম্বরে। নাম্বার পাচ ও ছয়ে আসবেন দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। উইকেটরক্ষক পজিশনে দেখা যাবে মুশফিকুর রহিমকে। আর ছয় নাম্বারে আসবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
আফগান স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার মোহম্মদ নবীকে দেখা যাবে নাম্বার সাতে। মিরপুরের পিচে বোলিং এর সাথে শেষদিকের মারকাটারি ব্যাটিং দেখা যাবে অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের। এদের সাথে নাম্বার আটে দেখা যাবে লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেনকে। তবে মীরপুরের মাঠে রিশাদের জায়গায় তাইজুল বা তানভীর সুযোগ পেলেও আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবেনা।
পেস আক্রমণে বরিশালের আছে দেশী ও বিদেশী মিশ্রণ। শুরুর দিকে বরিশালের হয়ে খেলবেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। এই পাকিস্তানি পেসার বরিশালের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দিবেন। এদের সাথে বরিশালের একাদশে থাকবেন দুই বাংলাদেশী পেস বোলার।
সেক্ষেত্রে এক্সপ্রেস পেসার এবাদত হোসেন আছেন এগিয়ে। এবাদত হোসেনের সাথে দেখা যেতে পারে দেশী আরেক পেসার রিপন মন্ডল। জাতীয় দলে অভিষেক নাহলেও স্কোয়াডে ছিলেন সর্বশেষ সিরিজে।
সেক্ষেত্রে আগামীকাল ৩ বিদেশী নিয়েই একাদশ সাজারে পারে ফরচুন বরিশাল।




