দলের হয়ে এই আসরে সর্বোচ্চ রান করেছেন ইফতেখার আহমেদ, অথচ তিনি নেই একাদশে।
আছেন বড় বড় সব নাম!রাসেল-ভিন্স-ডেভিডের মতো খেলোয়াড়দের রাতারাতি উড়িয়ে এনেই নামিয়ে দিয়েছেন একাদশে।এদিকে ব্যাটিং ওয়ার্ডার টালমাটাল, মাহেদী সাইফুদ্দীনরা বনে গেলেন মিডল ওয়ার্ডার।সব মিলে এলোমেলো রংপুর পাত্তাই পেলোনা খুলনার কাছে।
মিরপুরে টস জিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে সৌম্যকে রান আউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৭ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন সকালে ঢাকায় পা রাখা ইংলিশ ব্যাটার জেমস ভিন্সও,এদিকে
এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি সাইফ হাসান ও শেখ মাহেদী। ১০ বলে ৪ রান করে মিরাজের প্রথম শিকার বনে যান এই ডান হাতি ব্যাটার। আর ১ রান করে নাসুমের বলে বোল্ড হন মাহেদী। এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন সাইফউদ্দিন করেন ৮ রান।
এরপর সোহানকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন বিপিএল অভিষেক ম্যাচ খেলতে না টিম ডেভিড। কিন্তু ৯ বলে ৭ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই অজি ব্যাটার। এতে ৩২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর।
এই ম্যাচের আগে সব চাইতে আলোচনায় ছিলেন আন্দ্রে রাসেল। প্লে-অফকে সামনে রেখে এই ক্যারিবিয়ানকে দলে নিয়েছিল রংপুর। ম্যাচে আগের দিন সকালে ঢাকায় রেখে দুপুরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনি। তবে ক্রিকেটে যে অনুশীলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন রাসেল। ৯ বলে ৪ রান করে মিরাজের বলে বোল্ড আউট হন এই ডান হাতি ব্যাটার।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন সোহান। কিন্তু রাকিবুল ১ রান করে আউট হলে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি রংপুর অধিনায়ক। ২৫ বলে ২৩ রান করে আউট হন তিনি। এতে ৫২ রানে ৯ উইকেট হারায় রংপুর।
শেষ দিকে ব্যাট চালাতে থাকেন আকিভ জাভেদ। কিন্তু ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে জাভেদ আউট হলে মাত্র ৮৫ রানে অলরআউট হয় রংপুর। ১৮ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
মাত্র ৮৬ রানের টার্গেটে শুন্যতেই ফেরেন মিরাজ,তবে এরপর চার ছয়ে মাতিয়ে তুলেন নাইম ও এলেক্স রোজ।শেষমেশ সহজ জয় নিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করলো খুলনা, আর টানা ৫ ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলো শুরুর ৮ ম্যাচে জয় পাওয়া রংপুর রাইডার্স!




