বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করেছেন সাকিব আল হাসান। তার মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তামিম ইকবাল-ই হতে পারেন বিসিবির উপযুক্ত সভাপতি।
মুম্বাইয়ে একটি ইভেন্টে কথা বলতে গিয়ে সাকিব বলেন, তামিম নির্বাচিত হয়ে আসেননি ঠিকই, তবে তাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটি তিনি সঠিকভাবে পালন করছেন।
ভবিষ্যতে যদি তিনি বোর্ড সভাপতির দায়িত্ব পান, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন বলেই বিশ্বাস সাকিবের।
।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ নিয়েও আশাবাদী মন্তব্য করেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তার মতে, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এখন আর শুধু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং দলগত পারফরম্যান্সই হয়ে উঠেছে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
সাম্প্রতিক সময়ে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-এর বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় এবং টি-টোয়েন্টিতে ভালো শুরু—সব মিলিয়ে দলটি এখন সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে মনে করেন সাকিব।
তার ভাষায়, এই দলগত সংস্কৃতিই ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য এনে দিতে পারে।
অন্যদিকে, তামিমের প্রশাসনিক দায়িত্বে আসা ছিল একটি বিতর্কিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিণতি।
সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েও সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে এবং বিষয়টি তদন্তে যায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মেলার পর বোর্ড ভেঙে দিয়ে একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়, যার নেতৃত্বে আনা হয় তামিমকে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। স্টেডিয়ামে দর্শকদের সুবিধা বৃদ্ধি, ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং টি-টোয়েন্টিতে ‘বল বয়’ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর মতো সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।
বর্তমানে এডহক কমিটির প্রধান হিসেবে তার বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা।
সেই নির্বাচনের মাধ্যমেই গঠিত হবে নতুন বোর্ড। সাকিবের মন্তব্যে পরিষ্কার, তিনি চান তামিমই দীর্ঘমেয়াদে বিসিবির নেতৃত্ব নিয়ে দেশের ক্রিকেটকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যান।
এদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না দেওয়া ছিলো আগের সরকারের বড় ভুল,এমনটাই মনে করেন টাইগার ইতিহাসের সেরা এই ক্রীড়াবিদ।




