এক ওভারে প্রয়োজন ছিলো ১৫, শেষ ৩ বলেও দরকার ছিলো ৮ রান! তবে সেখান থেকেই শেষ বলে আলিসের চারে জয় পেলো চিটাগং কিংস!
যেখানে সব দল আনে নতুন নতুন খেলোয়াড়, সেখানে নিজেদের আগে থেকে কেনা খেলোয়াড়রাই জিতিয়ে দিলো।
বিপিএলের সেমিফাইনাল, জিতলে ফাইনাল নিশ্চিত, হারলে বিদায় নিবে টুর্নামেন্ট থেকে,
সেখানে টসে জিতে খুলনাকে ব্যাট করতে পাঠায় চিটাগং।আর শুরুতে বিপদে থাকলেও শেষ ৪ ওভারে প্রায় ৭০ রান তোলে খুলনা টাইগার্স। হেটমায়ারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৬৩ রানের লড়াকু পুজি পায় টাইগাররা।
তবে টাইগারদের এই টার্গেট টপকাতে নেমে শুরুতেই ৬ বলে ৪ করে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন।
এরপর চার বলে গ্রাহাম ক্লার্ক আউট হলে বিপদে পরে চিটাগং। তবে ঠিকই সেই দফায় বিপদ কেটে যায় খাজা নাফে আর তালাতের ব্যাটে।
একসময় মনে হচ্ছিলো এই দুই ব্যাটারের কল্যানে সহজ জয় পেতে যাচ্ছে খুলনা।তবে বিপত্তি আসে হুসাইন তালাত আউট হলে,২৫ বলে ৪০ করে আউট হন তিনি।
তবে এরপরই উইকেটের মিছিলে যোগ দেন কিংসের ব্যাটাররা,আগের ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা শামীম এই ম্যাচে আউট হন ৭ বলে ৫ করে।এরপর নাফেও ফেরেন ৫৭ বলে।
টিকতে পারেননি খালেদ আহমেদ,শুন্যতে ফেরেন তিনি।এরপর ক্যাপ্টেন মিথুনের কাধে যায় দায়িত্ব, যখন প্রয়োজনীয় রান প্রায় ১১!তবে মিথুন না পারলেও আলিস-আরাফাত ঠিকই জিতিয়ে নেমেছেন শেষ বলে চার মেরে।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি খুলনা। ৬ বলে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী মিরাজ। ৬ বলে শূন্য রান করে তাকে সঙ্গ দেন অ্যালেক্স রোস। তবে অপর প্রান্ত থেকে রান তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ নাঈম।
তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ২২ বলে ১৯ রান করে ফেরেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার। এরপর ১৪ বলে ৮ রান করে আফিফ আউট হলে দলীয় ৪২ রানে ৪ উইকেট হারায় খুলনা।
এরপর হেটমায়ারকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৭তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে খুলনা। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে শরিফুলের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন অঙ্কন। ৩২ বলে ৪২ রান করেন তিনি।
অঙ্কনের আউটের পর ব্যাট চালাতে থাকেন হেটমায়ার। ২৯ বলে ফিফটি তুলে নেন এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। ১৯তম ওভারে দুই চার ও দুই ছক্কা হাকান তিনি। তবে শেষ বলে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন তিনি। ৪ ছক্কা এবং ৬ চারে ৩৩ বলে ৬৩ রান করেন এই ক্যারিবিয়ান।
শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ নাওয়াজের ৫ রান এবং জেসন হোল্ডারের ৫ বলের অপরাজিত ১২ রানে ভর করে ১৬৩ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় খুলনা।
যা টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে যথেষ্ট ছিলোনা।




