এশিয়া কাপের আগে চুড়ান্ত ফর্মে ছিলেন না। তবে বড় খেলোয়াড়রা বড় মঞ্চে পারফর্ম করেন, সেটাই দেখালেন রিশাদ।
তাকে নিয়ে বিশ্বের অনেক বড় বড় বিশ্লেষকরা প্রত্যাশা করেন। সেই প্রত্যাশার প্রতিদান দেন তিনি।
তবে বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেট ভক্তের চাওয়া ছিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও বাংলার ট্রাম্প কার্ড যেন হন রিশাদ।
এবার সেই কাজেও মনযোগ রিশাদের।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফল বাংলার এই লেগী৷
মিডল অভার্সে বোলিংএ এসে আফগানিস্তানের পার্টনারশিপ বড় করতে দেননি।
শুরুর অভারে তাকে সুইপ করতে গিয়ে ফিরে যান আফগানিস্তানের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহম্মদ ইশাক৷ মাত্র ১ রান করে তিনি হন শামীমের শিকার।
ছয়ে নেমে নবীর সাথে ৩৩ রানের পার্টনারশিপ করেন আজমতুল্লাহ ওমরজাই। এর ব্যাটারের ক্যাপাবিলিটি সম্পর্কে সবারই জানা।
সেট হওয়া এই ব্যাটার হতে পারতেন ভয়ঙ্কর। তবে সেটা হবার আগেই তাকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ।
রিশাদের বোলিংএ তানজিম সাকিবকে ক্যাচ দেন ওমরজাই। আর তাতে আফগানদের ভাঙে পার্টনারশিপ, রিশাদ আনেন ব্রেকধ্রু।
আধুনিক ক্রিকেটে একজন লেগ স্পিনারের অভাব দীর্ঘদিন বোধ করে বাংলাদেশ দল। রিশাদ হোসেন সেই অন্ধকারের মাঝে আলো হয়ে আসেন।
তবে তাকে নিয়েও অনেকের সন্দেহ ছিলেন। মডার্ন ডে লেগ স্পিনারদের মত গুগলিতে সেভাবে পারদর্শী নন রিশাদ, ভান্ডারে নেই দুশরাও।
তবু লেগ স্পিন ও ফ্লিপার দিয়েই বড় বড় ব্যাটসম্যানদের কাবু করে যাচ্ছেন রিশাদ। যেখানে তার প্রধান অস্ত্র সঠিক লাইন লেন্থ ও বুদ্ধিমত্তা।
যে কারণে বড় মঞ্চে রিশাদ ভালো করেন। আবার মিডল অভার্সে হন ব্যাটসম্যানদের মাথাব্যাথার কারণ।
এর আগে পিএসএল খেলেছেন। আগামী দিনে ডাক এসেছে বিগ ব্যাশের মত আসরে। পন্টিং এর মত খেলোয়াড়রা রিশাদকে উচ্চদর করেছেন।
এবার শুধু বাকি নিজেকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। শুধু লেগী হিসেবে নয়, সাকিব তামিমদের পর বাংলাদেশ ক্রিকেটের ব্রান্ডিং এর দায়িত্বও নিতে হবে রিশাদকে। অন্তত তাকে ঘিরে সে প্রত্যাশা আছে দর্শকদের।




