মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুটা ছিল ধীরগতির।
উদ্বোধনী জুটিতে ২২ রান তুলেই আকিল হোসেনের বলে ছক্কা হাঁকানোর পর বিদায় নেন সাইফ হাসান।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।
তাওহিদ হৃদয় ১২ রানে গুডাকেশ মোটির শিকার হন। ১৫ রান করে আলিক আথানেজের বলে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত।
একই বোলারের বলে ফেরেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও।
সৌম্য সরকার কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
৮৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৫ রান করে আকিলের বলে ফেরেন তিনি। ইনিংসের শেষ দিকে নাসুম আহমেদ ১৪ ও নুরুল হাসান ২৩ রান করে মোটির শিকার হন।
তবে শেষ দিকে ঝড় তোলেন রিশাদ হোসেন। মাত্র ১৪ বলে ৩টি চার ও সমান ছক্কায় ৩৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে দুইশ পার করেন এই স্পিন অলরাউন্ডার।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ৫৮ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২১৩ রান।
২১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা।
নাসুম আহমেদ প্রথম ওভারেই ব্র্যান্ডন কিংকে শূন্য রানে এলবিডাব্লিউ করেন। এরপর আথানেজ ও কেসি কার্টি দ্বিতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়লেও রিশাদ হোসেন ভেঙে দেন সেই জুটি। ২৮ রানে ফেরেন আথানেজ। এরপর ৩৫ রানে ফেরেন কার্টি।
তানভীর ইসলামের ঘূর্ণিতে ১৭ রানে ফেরেন আকিম অগাস্ট, পরে একই বোলারের বলে আউট হন রাদারফোর্ডও।
গুডাকেশ মোটিও প্রতিরোধ গড়তে পারেননি; ১২৮ রানে দলের ষষ্ঠ উইকেট তুলে নেন রিশাদ। ইনিংসের শেষ দিকে নাসুম আহমেদ নেন সপ্তম উইকেট।




