১ যুগ পেরোলেও হাটি হাটি পায়ে পায়েই চলছে বিপিএল। এখনও বিশ্বের সেরা লীগ থেকে আছে পিছিয়ে।
বুলবুলের বিসিবি তাই অনেক আগে থেকেই শুরু করেছে কাজ, বিপিএলকে ঘিরে করেছে বড় পরিকল্পনা।
সেখানে সংখ্যা নয়, বরং কোয়ালিটিতে দেওয়া হয়েছে মনযোগ। এর সাথে এবার নিশ্চিত হবে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণও
এর আগে অনিশ্চয়তায় ছিল বিপিএলে ভালো মানের বিদেশী পাওয়া নিয়ে। তবে সেই অনিশ্চয়তা অনেকটা কেটে গেছে।
কেননা পাকিস্তান ও লঙ্কানদের ক্রিকেটারদের নিয়ে যে আশঙ্কা ছিল, সেটা আর নেই।
এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষে বিদেশী লীগ খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি।
দেশের ক্রিকেটের উন্নতি ও দেশে মনযোগ রাখতে দেওয়া হয় এমন সিদ্ধান্ত। যে কারণে বিপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড় পাওয়া নিয়ে ছিল শঙ্কা।
তবে সে জায়গা থেকে সরে এসেছে পিসিবি। যে কারণে বিগ ব্যাশের পর বিপিএলে দেখা যেতে পারে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের।
একই সাথে বিপিএলের সাথে সুচির ক্লাস ছিল এলপিএলের। যে কারণে শুরুর দিকে বিদেশী নিয়ে ছিল শঙ্কা।
তবে এবার আর সেই শঙ্কা নেই। কেননা এলপিএলের সময় পিছিয়েছে। ফলে বিপিএলে বাবর, হারিস, সাদাবদের যেমন পাওয়া যেতে পারে, আবার নিশাঙ্কা, পাথিরানা, চামিরাদের দিকেও ছুটতে পারেন ফ্রাঞ্চাইজীরা।
বিপিএলের সাথে সবসময় দ্বৈরথ থাকে আইএলটি২০ এর। তবে এবার বেশিদিন থাকবেনা এই দ্বৈরথ।
ডিসেম্বরের মাঝ সপ্তাহে হবে বিপিএল, আইএল শুরু হবে ডিসেম্বরের শুরুতে। ফলে শুরু কিছু ম্যাচে প্লেয়ার সংকট থাকতে পারে, তবে বেশিরভাগ ম্যাচে এবার পাওয়া যাবে মানসম্পন্ন বিদেশী।
আবার আগে ভাগে এবার শেষ হবে বিগব্যাশ লীগ, ফলে অজি ক্রিকেটারদেরও টার্গেট করতে পারে ফ্রাঞ্চাইজীরা।
সব মিলিয়ে যে কোয়ালিটি বিদেশী নিয়ে বারবার সন্দেহ, সেই আক্ষেপ এবার মিটতে পারে বিপিএলে।
এরপরও শেষ পর্যন্ত কাদের দলে ভেড়ায় বিপিএলের ফ্রাঞ্চাইজীরা, সেটাই দেখার বিষয়।
তবে বিপিএলে যদি ভালো মানের ফ্রাঞ্চাইজীরা আসে, তবে এবার তাদের সামনে তারকাদের ভেড়ানোর সুযোগ থাকবে।
রংপুর, বরিশালের মত ফ্রাঞ্চাইজীরা এই সুযোগ লুফে নিতে চাইবেন, অন্যরাও ভালো দল করে বাড়াতে চাইবেন বিপিএলের প্রতিযোগিতা। যে বিপিএলের মানকে করবে বৃদ্ধি, আগামী দিনে আরো মনযোগ করবে এই আসর।




