এর আগে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে অতিথিরা।
ইনিংসের শুরুতেই আগের ম্যাচে ৩৩ রান করা ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে ভালো সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। তবে এরপর অধিনায়ক শেই হোপ ও আথানেজ মিলে দলকে এগিয়ে নেন দৃঢ়ভাবে। দুজন মিলে মাত্র ৫৯ বলে গড়ে তোলেন ১০৬ রানের ঝড়ো এক জুটি।
পাওয়ার প্লেতেই আসে ৫০ রান, আর ১০.৫ ওভারে স্পর্শ করে দলীয় শতক।
দ্বাদশ ওভারে নাসুম আহমেদ এনে দেন কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু। তাকে লং অনে হাঁকাতে গিয়ে মিডউইকেটে তানজিদ হাসানের হাতে ধরা পড়েন আথানেজ।
পরের বলেই শেরফেইন রাদারফোর্ডকে বোল্ড করে ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে ছন্দপতন ঘটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে।
এরপর পরের ওভারে বল হাতে নিয়ে সেট ব্যাটার হোপকেও ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তাতেই পুরো ম্যাচের মোমেন্টাম ঘুরে যায় বাংলাদেশের দিকে।
১৫তম ওভারে বোলিংয়ে ফিরে জোড়া আঘাত হানেন রিশাদ হোসেন, যিনি নিজের প্রথম ওভারে দুটি ছক্কা হজম করে দিয়েছিলেন ১৫ রান। এবার তিনি উইকেটে টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকা রভম্যান পাওয়েলকে ফেরানোর পর তুলে নেন জেসন হোল্ডারকেও। ১২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ক্যারিবিয়ানরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছুটা সতর্কভাবে এগিয়ে যান রোস্টন চেজ ও রোমারিও শেফার্ড।
২৭ বলে ২৬ রানের ছোট একটি জুটি গড়েন তারা। তবে শেষ ওভারে মোস্তাফিজকে আক্রমণ করতে গিয়ে আউট হন শেফার্ড।
পরের বলেই খেরে পিয়েরে বোল্ড হন, আর শেষ বলে রানআউট হয়ে ফেরেন আকিল হোসেন। ফলে দেড়শর আগেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।




