আগের ম্যাচে অধিনায়ক লিটন দাস বিরক্ত হয়েই নাম নিয়েছিলেন শামীম হোসেনের৷ অধিনায়কের বিরক্ত হওয়া নিয়ে ছিল আলোচনা সমালোচনা।
তবে ভাবা হচ্ছিল সবকিছু ব্যাট হাতে জবাব দিবেন এই তারকা। কিন্ত অধিনায়কের মন্তব্যকেই যেন উস্কে দিলেন শামীম।
যখন ফিনিশিং দেওয়া দরকার, তখন করলেন ২ বলে ১ রান। হোল্ডারের বলে আউট হয়ে ফিরেন মাত্র ১ রানে।
ফিনিশিংএ নেমে পারেননি, সেই ব্যার্থতা শামীমের আছে, তবে সেটাও একটা পর্যায়ে। কিন্ত দিনের পর দিন জাকের আলী যা করছেন, সেটা অনেকের ধৈর্য্য শক্তিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। মিডল অর্ডারে মাঠে নামেন নিয়মিত, নেমে স্পিনের বিপক্ষে করেন ভয়াবহ স্ট্রাগল।
এরপর দলের রান রেট বাড়িয়ে আউট হয়ে যান, দলের কলাপ্সের কারণ হন। ভাবা হচ্ছিল এশিয়া কাপে শক্তিশালী স্পিনে কিছুটা দুর্বল জাকের, তবে উইন্ডিজের স্পিনেও জবাব নেই জাকের।
এর বাইরে আগে লেগ সাইডে তাও খেলতে পারতেন, এখন যেন শট খেলাই ভুলে গেছেন এই ব্যাটার। ব্যাট হাতে জাকেরের ইনিংস দর্শকদের হতাশাই বাড়িয়েছে।
সেই হতাশা থেকে মুক্তি চায় সবাই। আর সেখানেই মোসাদ্দেক সাব্বিররা হতে পারেন আশার আলো৷ বলতে পারেন এরকম কত এলো, কত গেলো। সবাই তো একই। কিন্ত এরপরও এর মাঝেও যদি কিন্ত থাকে।
সাব্বির, মোসাদ্দেক আন্তজার্তিক মঞ্চে রান করেছেন, আবার ফ্লপও গিয়েছেন।
কিন্ত স্বভাব ব্যাতিক্রমী ব্যাটিং করেননি তারা৷ এখনও সাব্বির রহমান বড় শট খেলতে পারেন, আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে পারেন।
মিডল অর্ডারে স্পিন সামলাতে হিমশিম খায় বাংলাদেশ দল, সেখানে এই কাজে দক্ষ দুইজনের নাম মোসাদ্দেক, সাব্বিররা
জাকের, শামীমরা লেগ সাইড অরিয়েন্টেড শটে ভালো করেন, তবে এর বাইরে তাদের উইক জোন স্পষ্ট।
সেই হিসেবে সাব্বির, মোসাদ্দেকদের শট রেঞ্জ ভালো। হয়ত তারাও স্ট্রাগল করবেন, তবে তাদেরকে একই প্লানেই বারবার পরাস্ত করবেন না বোলাররা। তাদেরকে দেখলে অন্তত আশার আলো থাকবে দর্শকদের।
সবকিছু মিলিয়েই বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের ভাবনার এটাই সময়। নতুবা টানা ব্যার্থ হওয়া এরকম খেলোয়াড়দের নিয়ে যদি বিশ্বকাপে যায় বাংলাদেশ, তবে আগামী বড় মঞ্চেও বাংলাদেশের প্রাপ্তিটা বড় হবেনা।
অন্তত ফর্মে থাকা টি২০ ফরম্যাটে সিরিজ হারার পর জাকের শামীমদের নিয়ে নতুন করেই ভাবতে হবে টাইগার বোর্ডকে।




