সিলেট স্ট্রাইকার্স, সিলেট সুপারস্টার্স, সিলেট রয়ালস, সিলেট থান্ডার্স, সিলেট সানরাইজার্স। এক সিলেটের নামেই কত রুপ।
বিপিএলে তাই দেশের ক্রিকেট ভক্তরাই এলেমেলো হয়ে যান, সিলেট ফ্রাঞ্চাইজী এবার কোন নামে আসবে। কিংবা আদৌ আছে কিনা তারা।
শুধু সিলেট নয়, বিপিএলে অংশ নেয়া প্রতিটা বিভাগই আলাদা আলাদা নামে অংশ নিয়েছে একাধিকবার।
যে কারণে বাইরের খেলোয়াড়দের কাছে আস্থাযোগ্য ফ্রাঞ্চাইজী হচ্ছেনা। দেশীয় ভক্তরাও নিজ ফ্রাঞ্চাইজীর প্রতি পাচ্ছেন না টান।
যে বিড়ম্বন এড়াতে এবার নতুন পদক্ষেপ বিসিবির। এখন থেকে দলগুলোর নাম চুড়ান্ত করা হবে বিসিবির পক্ষ থেকেই।
বিসিবি যে নাম দিবে, সেই নামেই ফ্রাঞ্চাইজীদের দল চালাতে হবে। অর্থ্যাৎ যদি মালিকানা বদলও হয়, তবুও আসবেনা নামের পরিবর্তন।
এবার ব্রান্ডিং এর জন্য ভালোভাবেই লেগেছে বিসিবি।
আইএমজির সাথে চুক্তিও সেরে ফেলেছে বিসিবি। এবার বিপিএলের সব দেখভালের আয়োজন করবে আন্তজার্তিক খ্যাতিমানা এই সংস্থাটি।
ফলে বিপিএলের বাইরের দেশে প্রচার, ব্রডকাস্টিং থেকে সব ধরণের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে আইএমজি।
যা বিপিএলের মান উন্নয়নে করবে সহযোগীতা
ফ্রাঞ্চাইজী বাছাইয়েও এবার বড় পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে বিসিবি। সকল ফ্রাঞ্চাইজী মালিকের সাথে বসে, তাদের খুটি নাটি যাচাই করা হচ্ছে।
এর মাঝে একাধিক আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে বাতিলের খাতায়ও রেখেছে বিসিবি। ৪৬ কোটি টাকা বাকি রাখা চিটাগ্যাং কিংস এর মালিককে সরাসরি না বিসিবির। তাড়াহুড়ো নয়, বাছাই করে সঠিক ফ্রাঞ্চাইজিই খুজতে চায় বিসিবি।
বিপিএলে আবারো ফিরতে পারে নিলাম। ফ্রাঞ্চাইজীরা আগ্রহ প্রকাশ করেছে নিলামকে ঘিরে।
এর ফলে অল্প ম্যাচের জন্য যেমন করতে হবে বেশি টাকার চুক্তি, আবার একাধিক দলের চুক্তি নিয়েও হবেনা ঝামেলা।
এর বাইরে সঠিক খেলোয়াড়রা পাবে সঠিক মুল্য, বিদেশীদের বাড়বে আগ্রহ।
এর বাইরে বিপিএলে বাড়তে পারে ভেন্যু। নতুন করে আলোচনায় রাজশাহীর নাম।যদি ৩ টা থেকে বাড়িয়ে ৪ ভেন্যুতেও করা হয় বিপিএল, তবুও আসবে বৈচিত্র্য, একই সাথে পাওয়া যাবে নানা মানের উইকেট। সব মিলিয়ে নতুন মৌসুমের জন্য বিপিএল ঘিরে নানা দারুণ উদ্যেগ বিসিবির।
এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখে কিনা এই উদ্যেগগুলো। আর উদ্যেগের বাস্তবায়ন হলে তাতে যে বিপিএলের সুনাম একটু হলেও বাড়বে, সে ব্যাপারে নেই সন্দেহ।




