সিরিজ শেষে সবাই ব্যাস্ত বিভিন্ন কাজে,তবে শান্ত-আর নাজমুল আবেদীন ফাহিম ব্যাস্ত ভিন্ন এক আলোচনায়।
কি ছিলো সেদিনের আলোচনায়?
অনেকে সেদিনই নিশ্চিত হয়েছিলেন শান্ত’র কাধেই দেওয়া হচ্ছে পুরোনো দায়িত্ব নতুন করে।
অর্থাৎ টেস্টে আবারো অধিনায়ক হচ্ছেন তিনি।
মুলত এই দৃশ্যটি মীরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ওডিয়াই সিরিজ হারানোর দিনের।
সেদিন মিরাজ-সৌম্য-সাইফরা দর্শকদের সাথে সময় কাটালেও দীর্ঘ ঘন্টাখানেক মাঠে দাড়িয়েই আলোচনা করেন শান্ত ও নাজমুল আবেদীন ফাহিম,আর তার ফলসরুপই টেস্টের নতুন ক্যাপ্টেন হচ্ছেন তিনিই যিনি ছিলেন আগের ক্যাপ্টেন!
দেশের ইতিহাসের একমাত্র ক্যাপ্টেন বলা চলে যার আগের পর্বের আর নতুন পর্বের মাঝে নেই এক ম্যাচও!
কেননা সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট নেতৃত্ব ছাড়লেও আবারও সেই দায়িত্বে ফিরছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
নানা নাটকীয়তা ও জল্পনার পর বিসিবি আবারও টেস্ট দলের নেতৃত্বে আস্থা রাখছে এই তরুণ ব্যাটারের ওপর।
গত জুনে শ্রীলঙ্কা সফরের আগেই শুরু হয় বিতর্কের সূত্রপাত।
দেশে সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলন শেষে শান্ত জানতে পারেন, তাকে আগাম কোনো ঘোষণা ছাড়াই ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজকে। তখন কিছু না বললেও, অভিমান জমে ছিল শান্তর মনে।
কলম্বো টেস্ট শেষে তিনি ঘোষণা দেন টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার। তবে সেসময় টেস্ট সূচি না থাকায় বিসিবি নতুন অধিনায়ক নিয়োগে তাড়াহুড়ো করেনি।
নভেম্বরে শুরু হতে যাওয়া আয়ারল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে বোর্ড এবার নতুন সিদ্ধান্ত নেয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পরপরই বোর্ড কর্মকর্তারা চট্টগ্রামে বৈঠকে বসে টেস্ট অধিনায়ক চূড়ান্ত করেন। আলোচনায় লিটন দাস ও মেহেদী মিরাজের নাম এলেও, শেষ পর্যন্ত শান্তকেই ফেরানো হয় নেতৃত্বে।
বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, লিটনের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং মিরাজের অভিজ্ঞতার ঘাটতি বিবেচনায় শান্তই ছিলেন সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প। কয়েক দফা আলোচনার পর তিনি নেতৃত্বে ফিরতে সম্মতি দেন।
বিসিবি জানিয়েছে, আপাতত তিন সংস্করণের জন্য আলাদা অধিনায়ক নীতিতেই অটল তারা। ফলে লাল বলের নেতৃত্বে আবারও দেখা যাবে নাজমুল হোসেন শান্তকে।




