উদীয়মান ক্রিকেটারদের এশিয়া কাপে রীতিমতো ঝড় তুললেন বাংলাদেশের তরুণ ব্যাটার হাবিবুর রহমান সোহান।
আগেরদিন ভারতের বৈভব সূর্যবংশি করেছিলেন ৩২ বলে সেঞ্চুরি। তার ঠিক পরদিনই সাড়া দিলেন বাংলার উঠতি তারকা।
কাতারের দোহায় হংকং চায়নার বিপক্ষে মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন সোহান।
লক্ষ্য ছিল ১৬৮ রান। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ভয়ডরহীন ব্যাটিং প্রদর্শন করেন সোহান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। পরের ওভারেও একই আগ্রাসন, তিনটি চার ও একটি ছক্কা। ফলে শুরু থেকেই রানের বন্যায় ভাসে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্কোরবোর্ড। মাত্র ছয় ওভার শেষে বিনা উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৭ রান, যা পাওয়ার প্লেতে দেশের কোনো দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহগুলোর মধ্যে অন্যতম।
৮ বাউন্ডারি ও ১০ ছক্কায় সাজানো সোহানের অপরাজিত ১০০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস হংকং চায়নার বোলারদের পুরোপুরি ছিন্নভিন্ন করে দেয়। ১৪ বলেই অর্ধশতক পূর্ণ করার পর শতকের দিকে ধাবিত হওয়াটাও ছিল সময়ের ব্যাপার। শেষ পর্যন্ত ১১তম ওভারের প্রথম বলেই সিঙ্গেল নিয়ে তিনি পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ঘরে।
পাওয়ার প্লের পর জিসান আলম ২০ রান করে আউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
১১১ রানে প্রথম উইকেটের পতন হলেও বাংলাদেশের গতি কমেনি। নতুন ব্যাটার জাওয়াদ আবরার ২ রানে ফিরলেও জয়ের পথে ছিল না কোনো বাধা। তখনও জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৮ রান।
এই সময় সোহানের রূপ ধরে বাকি কাজটা সেরে ফেলেন অধিনায়ক আকবর আলী।
কিঞ্চিত শাহকে এক ওভারে টানা পাঁচ ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ১৩ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ৮ উইকেটের বড় জয়ে পৌঁছে দেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে হংকং চায়না নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৭ রান তোলে।
দলের পক্ষে বাবর হায়াত করেন ৪৯ বলে ৬৯ রান এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তজা ২২ বলে যোগ করেন ৪০ রান। শেষ দিকে কিঞ্চিত শাহ ৪ বলে ২০ রানে ঝড় তোলেন।




