আইপিএল ২০২৬ মার্চে মাঠে গড়াবে, তার আগেই দলগুলো এরই মধ্যে প্রকাশ করেছে কারা থাকছে এবং কাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রিটেনশনের পর প্রতিটি দলের হাতে কত টাকা আছে, তা এখন নিলাম ঘিরে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
কারণ এই বাজেট দিয়েই দলগুলো গড়ে তুলবে নতুন স্কোয়াড। গত আসরের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবার তাদের দলকে আরও শক্তিশালী করতে চাইবে, তবে সবচেয়ে বেশি আর্থিক শক্তি রয়েছে কলকাতার হাতে।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের হাতে রয়েছে ৬৪.৩ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বিশাল এই বাজেট কাজে লাগিয়ে কেকেআর এবার নিলামে আগ্রাসী ভূমিকা নিতে পারে। নতুন ক্রিকেটীয় পরিকল্পনা ও বেঞ্চ স্ট্রেংথ বাড়ানো তাদের মূল লক্ষ্য হতে পারে।
চেন্নাই সুপার কিংসের হাতে আছে ৪৩.৪ কোটি রুপি বা ৫৯.৮৯২ কোটি টাকা। ধোনি পরবর্তী ধারণায় দলটিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করতে সিএসকে এবার নিলামের কৌশল অনেকটাই সতর্কভাবে সাজাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বাজেট ২৫.৫ কোটি রুপি, বাংলাদেশি টাকায় ৩৫.১৯ কোটি। গত মৌসুমে ভালো পারফরম্যান্স করলেও কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় শক্তি বাড়াতে হায়দরাবাদ এবার বেশ হিসাবি হবে নিলামের মঞ্চে।
লখনউ সুপার জায়েন্টসের হাতে আছে ২২.৯৫ কোটি রুপি বা ৩১.৬৭১ কোটি টাকা। স্কোয়াডে ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার টার্গেটে রাখবে দলটি। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের হাতে রয়েছে ২১.৮ কোটি রুপি, বাংলাদেশি টাকায় ৩০ কোটি টাকা । তারা ব্যাটিং অর্ডার শক্তিশালী করতে টপ অর্ডারে বড় কোনো নাম নিতে পারে।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হাতে ১৬.৪ কোটি রুপি বা ২২.৬৩২ কোটি টাকা। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা মূলত নির্দিষ্ট কয়েকটি পজিশন ঠিক করতেই বাজেট ব্যবহার করবে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে আছে ১৬.০৫ কোটি রুপি অর্থাৎ ২২.১৪৯ কোটি টাকা।
গতবারের ভালো পারফরম্যান্স ধরে রাখতে স্মার্ট কেনাকাটাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য।
গুজরাট টাইটান্সের হাতে ১২.৯ কোটি রুপি বা ১৭.৮০২ কোটি টাকা। গত দুই মৌসুমে পরিবর্তনের পর নতুন করে শক্তিশালী দল গড়া তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পাঞ্জাব কিংসের হাতে রয়েছে ১১.৫ কোটি রুপি অর্থাৎ ১৫.৮৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে কম বাজেট রয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হাতে, মাত্র ২.৭৫ কোটি রুপি বা ৩.৭৯৫ কোটি টাকা। নিলামে যা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
অর্থাৎ সব দল মিলিয়ে নিলামে খরচ করবে মোট প্রায় ২৩৭.৫৫ কোটি রুপি যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩২৭.৮২ কোটি টাকা।




