হাতে ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ৫ কোটি ২০ লাখ পর্যন্ত ফিজের জন্য লড়াই করে দিল্লি ক্যাপিটালস।
একাধিক মৌসুমে ক্যাপিটালসের ডেরায় খেলেন ফিজ। অন্য ফ্রাঞ্চাইজী লীগেও ক্যাপিটালসের দলে খেলে করেন পারফর্ম।
তাই তার দিকে নজর ছিল দলটির। তবে লড়াইটা শুরু করেন এর আগে ফিজের খেলা দল চেন্নাই সুপার কিংস।
কিন্ত এই দুইজনের থেকেই ফিজকে কেড়ে নেয় কলকাতা। পার্সে টাকা কম থাকায় মুল্য বাড়েনি আরো বেশি, নতুবা আরো কয়েক কোটি যে পেতেন ফিজ সেটা সবার আগ্রহেই প্রমাণিত হয়েছে।
সে দাম না পেলেও দামী খেলোয়াড়ের চেয়ে এগিয়েই থাকবেন ফিজ।
কলকাতার একাদশে পেসার সুযোগ পাওয়ার দৌড়ে পাথিরানার চেয়ে প্রাধান্য থাকবে ফিজের। অন্তত ফর্ম, দলের চাওয়া ও পরিসংখ্যান সেটাই বলে।
আন্তজার্তিক ক্রিকেটে ২০২৫ সালে ৩ ম্যাচ খেলেছেন মাত্র, ১২ অভার বোলিং করে উইকেট পেয়েছেন মাত্র একটি, বোলিং ইকোনমি ৮.৬৭। সে উইকেট পেয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, যেখানে রান দিয়েছেন মোট ৪০। বর্তমানে শ্রীলঙ্কা দলের একাদশে জায়গা হারিয়েছেন।
আন্তজার্তিক মঞ্চে এখন আর নিয়মিত নন পাথিরানা।
গত মৌসুমে চেন্নাই এর হয়ে পাথিরানা রান দিয়েছেন ১০ এর বেশি ইকোনমিতে, যে কারণে তাকে ছেড়েও দেয় ফ্রাঞ্চাইজীটি।
আইএলে সর্বশেষ ম্যাচে ১৯ রানে ৩ উইকেট পাওয়ায় দাম উঠে তার, অথচ এর আগে তিন ম্যাচ খেলে মাত্র ১ উইকেট পান পাথিরানা।
ইকোনমেও সেখানে থাকে সব মিলিয়ে ৯ এর অধিক।
অথচ এখানে সবদিক দিয়েই পাথিরানার চেয়ে এগিয়ে ফিজ। আইএলে পাথিরানার সমান ম্যাচ খেলে ৬ উইকেট পেয়েছেন, সেরা উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায়ও আছেন। বোলিং এভারেজেও আইএলে এগিয়ে আছেন পাথিরানার থেকে।
অন্য দুই জায়গায় ফিজের কাছাকাছিও নেই পাথিরানা। গত আইপিএলে ৩ ম্যাচ খেলে ৮ এর কম ইকোনমিতে নেন ৪ উইকেট।
অভারঅল ইকোনমি ও উইকেট টেকিং রেশিও ভালো পাথিরানার থেকে। এই বছর আন্তজার্তিক মঞ্চে ২০ ম্যাচে ৬ ইকোনমিতে নেন ২৬ উইকেট।
অর্থ্যাৎ সবখানেই ফিজ এগিয়ে পাথিরানার থেকে৷
কলকাতা দলে পেস বোলিংএ আছেন হার্শিদ রানা, ভাভিভাব আরোয়া, কার্তিক ত্যাগী, অনুকুল রয়রা।
আর সেখানে দলের একমাত্র বাহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। দলে বাহাতি বোলিং অপশন নেই আর সেভাবে।
আর সেখানেও ফিজ থাকবেন এগিয়ে। সব মিলিয়ে সবকিছুই ফিজের শুরুর একাদশে থাকার পক্ষেই ভোট দেয়। এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত ফিজ থাকেন কিনা কেকেয়ারের শুরুর একাদশে।




