বিগ ব্যাশে ব্যাট হাতে ৩ বলে ৫ রান করার পর,বল হাতে
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে গিয়ে রিশাদের ওপর ভরসা রাখেন হোবার্টের অধিনায়ক নাথান এলিস।
পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে বল হাতে পান টাইগার এ লেগ-স্পিনার, আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে তার সময় লাগে খুব বেশি নয়।
আক্রমণাত্মক মানসিকতায় খেলতে থাকা থমাস রজার্সকে থামিয়ে দেন রিশাদ, তুলে নেন মূল্যবান একটি উইকেট।
নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ওই ওভারে রান খরচ হয় মাত্র ৪, যা প্রতিপক্ষের ছন্দ ভাঙতে বড় ভূমিকা রাখে।
এর পরের ওভারে আরও পরিণত বোলিং উপহার দেন রিশাদ। মেলবোর্নের ওপেনার জো ক্লার্ককে পরাস্ত করেন তিনি।
নিখুঁত পরিকল্পনা ও বলের গতির পরিবর্তনে ক্লার্ক উইকেট হারান সহজেই। সামান্য ভাগ্য সহায় হলে ওই ওভারেই রিশাদের ঝুলিতে যোগ হতে পারত আরও একটি উইকেট। টানা দুই ওভারে তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং হোবার্ট শিবিরে নতুন করে আশার সঞ্চার করে।
তবে তৃতীয় ওভারে এসে পুরো দৃশ্যপট বদলে যায়। অভিজ্ঞ মার্কাস স্টয়নিস রিশাদের বোলিং বুঝে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে নামেন।
এক ওভারেই একের পর এক বড় শটে রিশাদের ওপর চাপ বাড়ান এই অলরাউন্ডার। ফলস্বরূপ ওই ওভারে ১৯ রান হজম করেন টাইগার এ লেগ-স্পিনার।
এই একটি ওভারই রিশাদের বোলিং পরিসংখ্যানকে কঠিন করে তোলে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এরপর আর তাকে আক্রমণে ফেরাননি হোবার্ট অধিনায়ক।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগও পেয়েছিলেন রিশাদ। প্রথম ইনিংসে নয় নম্বরে নেমে মাত্র ৩ বল খেলেই একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে অপরাজিত ৫ রান করেন তিনি। স্বল্প সময়ের সেই ক্যামিও ইনিংসের শেষদিকে দলের স্কোরে বাড়তি কিছু রান যোগ করে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এটি রিশাদের বিগ ব্যাশ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচ। অভিষেক ম্যাচে তিনি ছিলেন বেশ ধারাবাহিক,৩ ওভারে খরচ করেছিলেন মাত্র ১৮ রান, যা তার নিয়ন্ত্রণ ও সম্ভাবনার স্পষ্ট প্রমাণ।
দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক,তবে একটি খারাপ ওভারেই ছন্দ হারান তিনি। তবুও বিগব্যাশে ৩ ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে খুব বেশি খারাপ করেননি এই লেগ স্পীনার।




