৩ দলের লড়াইয়ে দাম ঠেকেছে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে। বিশ্লেষকরা বলেন এই দামটা আরো বাড়ত, হয়ত ১৪ কোটির অধিক মুল্যেও দল পেতে পারতেন মুস্তাফিজ।
বাংলার মুস্তাফিজকে নিয়ে কাড়াকাড়ি হতে পারত আরো। কিন্ত এরপরও বাংলাদেশীদের মাঝে সর্বোচ্চ দাম মুস্তাফিজুরের। ফিজকে নিয়ে যে কাড়াকাড়ি লেগেছিল, সেটাই প্রমাণ করে আন্তজার্তিক অঙ্গনে কি চাহিদাসম্পন্ন ফিজ।
কিন্ত সেই দাম কি না বুঝেই দিয়েছে ফ্রাঞ্চাইজী মালিকরা? এর আগে আইপিএলে একাধিকবার অবিক্রিত থেকেছেন।
একাধিকবার ভিত্তিমুল্যে তাকে কেনা হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে তাকে যে দামে কেনা হয়েছে, এবার পেলেন তার কয়েকগুণ দাম। কিন্ত কেনই বা ফিজকে নিয়ে কাড়াকাড়ি? আর সেটার উত্তর একটিই, সাম্প্রতিক সময়ে তার সাফল্য।
গত দুই বছরে পেস বোলিংএ ফিজ শাণিত হয়েছেন আরো। কাটারের মাঝেও ভ্যারিয়েশন এনেছেন, লাইন লেন্থ নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
বলের গতির ভ্যারিয়েশন বাড়িয়েছেন। স্লোয়ার, ইয়ার্কারেও এনেছেন দক্ষতা। এছাড়া বাহাতির জন্য আলাদা এঙ্গেলে বল করতে পারেন মুস্তাফিজ। এতসব স্কিলের সাফল্য ফিজ পেয়েছেন, আন্তজার্তিক থেকে লীগ সবখানেই ফিজের জয়জয়কার বর্তমানে।
গত দুই বছরে সব ধরণের ক্রিকেটে পেসারদের মাঝে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট বাংলার ফিজের। একে থাকা জেসন হোল্ডার স্বীকার করেছেন ১১৮ উইকেট।
উইন্ডিজের এই পেস বোলিং অলরাউন্ডারের চেয়ে মাত্র এক উইকেট কম ফিজের, নিয়েছেন ১১৭ উইকেট। যদিও এই সময়ে ফিজ ম্যাচ খেলেছেন ৮৪ টি, অপরদিকে ফিজের চেয়ে ১০ ম্যাচ বেশি খেলেছেন অভিজ্ঞ হোল্ডার।
৮৪ ম্যাচে ১৮৪০ বল করেছেন ফিজ, ইকোনমি ৭.৮০, গড়টা ২০.৪৭। অর্থ্যাৎ গড় ইকোনমি সবই যেন ঈর্ষনীয়। গত দুই বছরে উইকেট সংগ্রহের তালিকায় সবার উপরে আছেন আফগান স্পিনার নুর আহমেদ, কিন্ত তার চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন বাংলার ফিজ।
এই সময়ে ফিজের চেয়ে ৪ ম্যাচ কম খেলে ১১ উইকেট কম কিউই লিজেন্ড বোল্টের। আর মোহম্মদ আমির, শাহিন শাহ আফ্রিদিরা সেরা দশে থাকলেও তারাও আছেন ফিজের থেকে পিছিয়ে।
আইএলটি২০তে এই আসরে ৭ ম্যাচে ১৪ উইকেট ফিজের। আন্তজার্তিক মঞ্চেও ভালো করেছেন এই বছর। যেখানেই খেলছেন ফিজ, মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। বর্তমানে ফিজ সেরাদের সেরা টি২০ বোলার, অন্তত সেরাদের তালিকায় থাকবেন সেটা তো নিশ্চিতই।




