৪ অভার বোলিং শেষে যখন নিজের স্পেল শেষ করলেন, ধারাভাষ্যকার বলে উঠলেন বিগ ব্যাশে নিজের সেরা স্পেল কাটালেন রিশাদ হোসেন।
৪ অভার শেষে রিশাদ দেন ৩৩ রান, সেটা ২৯ রানে থামার সম্ভাবনা ছিল প্রবল। তবে সহজ ফিল্ডিং মিসে অতিরিক্ত ৪ রান হজম করতে হয়েছে এই লেগীকে। অর্থ্যাৎ ৪ অভারে ২৯ রানে ৩ উইকেট, কি দুর্দান্তই না এক স্পেল রিশাদের জন্য।
রিশাদ এদিন পেয়েছেন এরন হার্ডি, কপার কনলি ও লাউরিয়া ইভানসের উইকেট।
যারা ক্রিকেট নিয়মিত ফলো করেন, তারা এই তিনজনকে চিনেন ভালোভাবেই। তিনজনই স্বীকৃত ব্যাটসম্যান, তিনজনই পার্থের বড় মুখ। অর্থ্যাৎ এদিন বড় ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কের কারণই ছিলেন রিশাদ৷
এদিন শুরুর পাওয়ারপ্লেতে বোলিংএ আসেন রিশাদ। সেখানে অবশ্য উইকেট পাননি, দেন ৯ রান।
কিন্ত এরপর নিজের দ্বিতীয় অভারেই এসে তুলে নেন উইকেট। অভারের দ্বিতীয় বলে কনলির উইকেট পান রিশাদ।
এর আগে আসরে ২ ম্যাচে ১৩৬ রান করেছেন অষ্ট্রেলিয়ার এই ওপেনিং ব্যাটসম্যান। রিশাদের বলে শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন কপার কনলি।
তার ক্যাচ তুলে নেন ইংল্যান্ডের ক্রস জর্দান। সে অভারে ৫ বলে ৬ রান দেন রিশাদ, শেষ বলে মিস ফিল্ডিংএ চার হজম করেন।
এরপর নিজের তৃতীয় অভারে এসে আবারো উইকেট পান রিশাদ। সেখানে তাকে সুইপ খেলতে গিয়ে পরাস্ত হন অষ্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার এরন হার্ডি। সে অভারে দুর্দান্ত বল করেন রিশাদ, দেন মাত্র ৫ রান।
এরপর শেষদিকে আবারো বোলিংএ আসেন রিশাদ। এবার রিশাদের বলে ছক্কা হাকান লাউরি ইভানস।।
কিন্ত ইংলিশ এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের থেকে প্রতিশোধ নিতে সময় লাগেনি রিশাদের, পরের বলে তুলে নেন উইকেট। ৪ অভারে ৩৩ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট।
আর তাতে রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে রিশাদ। যেখানে সাকিবকে টপকে যাওয়ার হাতছানি রিশাদের। বিগ ব্যাশে মোট ৬ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব, তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট৷ অপরদিকে ৪ ম্যাচে ৬ উইকেট তুলেছেন রিশাদ।
আগামী ম্যাচে ৩ উইকেট পেলে সাকিবের সমান উইকেট হবে তার। আর পরের ম্যাচে যদি পান ৪ উইকেট, তবে সাকিবের উইকেট টপকে রিশাদ হবেন বিগ ব্যাশে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। এবার দেখা যাক, পরের ম্যাচে মেলবোর্নের বিপক্ষে সে রেকর্ড ছুতে পারেন কিনা বাংলার লেগী গর্ব রিশাদ।




