আবারো হারলো নোয়াখালী, এবার পয়েন্ট আদায় করে নিলো সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান সংগ্রহ করেছিলো নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির।
উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন পারভেজ হোসেন ইমন। সেই রেশ না কাটতেই দ্বিতীয় ওভারে তাণ্ডব চালান খালেদ আহমেদ।
ওভারের দ্বিতীয় ও পঞ্চম বলে হাবিবুর রহমান সোহান ও হায়দার আলিকে ফিরিয়ে নোয়াখালীকে কোণঠাসা করে ফেলেন তিনি।
মাত্র ৯ রানেই ৩ উইকেট হারায় নোয়াখালী।
মাঝখানে অধিনায়ক সৈকত আলী ২৪ রান করে কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ৭০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে আবারও ধুঁকছিল দল।
সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে ৬৬ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন অঙ্কন ও জাকের। জাকের ২৯ রানে ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন অঙ্কন। তুলে নেন ফিফটি। ৩ ছক্কা ও ১ চারে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
সিলেটের হয়ে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন পেসার খালেদ আহমেদ। শেষ ওভারে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও পাননি।
তবে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ২৩ রান খরচায় তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে এসে ভালো করেনি সিলেটেদ ওপেনাররাও।শুন্য রানে ফেরেন সায়েম আয়ুব,৯ রানে ফেরেন রনি তালুকদার।
সুযোগ পাওয়া জাকের হাসান করেন ১২ বলে ১৩ রান।
তবে ঠিকই আগের ম্যাচে ফিফটি তোলা ইমন এই ম্যাচেও ব্যাট হাতে আগুন ঝড়িয়েছেন।চার ছয়ের সাথে ডিল করেছেন নিয়মিত,মিরাজকে নিয়ে জয়ের রাস্তা করেছেন পরিষ্কার।
ফলে আগের ম্যাচে হারলেও এই ম্যাচে জয় উপহার দিলো সিলেট বাসীদের।




