কথা ছিলো কারো কাছেই পাত্তা পাবেনা চট্টগ্রাম। অথচ সেই চট্টগ্রামই করছে বাজিমাত।৩ ম্যাচেই ২ ম্যাচ জিতে নিলো চট্টগ্রাম।
দলটির হয়ে ব্যাট হাতে আবারো জ্বলে উঠলেন কোটি টাকার নাইম শেখ।
সিলেটের দেওয়া সহজ টার্গেটে শুরুতেই বড় পার্টনারশিপ করে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান ইংলিশ ব্যাটার এডাম রসিংটোন,ও নাইম শেখ।
প্রথম ম্যাচে নোয়াখালীর বিপক্ষে জিতে দলটি,এরপর রংপুরের বিপক্ষে হারলেও,ঢাকার বিপক্ষে ঠিকই সহজ জু তুলে নিয়েছে বন্দর নগরীর দলটি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চট্টগ্রামের বোলারদের তোপে পড়ে ঢাকা।
ইনিংস শুরুর প্রথম ওভারে শরিফুলের বলে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান। ৪ বলে ১ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
পঞ্চম ওভারে আক্রমণে এসে এ পেসার আবার তুলে নেন জুবাইদ আকবরির উইকেট। ১২ বলে ২ রান করেন আফগান ব্যাটার।
এক ওভার পর তানভীর এসে তুলে নেন একপ্রান্ত ধরে সাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করা উসমান খানকে। এক্ষেত্রে অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল উইকেটরক্ষক অ্যাডাম রসিংটনের।
১৫ বলে ৩ চারের মারে ২১ রান করা উসমানকে স্টাম্পিং করেন তিনি। এ ইংলিশ উইকেটরক্ষক পুরো ম্যাচে আরও তিনটি স্টাম্পিং করেন।
শামীম হোসেন, সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিমকে সাজঘরে ফিরিয়ে বোলারদের উইকেট তুলে নিতে রাখেন ভূমিকা।
শামীম ৭ বলে ৪, সাব্বির ৮ বলে ৯, ইমাদও ৮ বলে ৯ রান করে আউট হন। ১২ বলে ৮ রান করা মোহাম্মদ মিঠুন ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ৬৬ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা। শতরান সংগ্রহ করাও তাদের জন্য তখন বেশ কঠিন মনে হচ্ছিল।
তবে নাসির হোসেনের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সাইফউদ্দিন।
নাসির ২০ বলে ১৭ রান করে আউট হলেও ২৫ বলে ৪ চারের মারে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফউদ্দিন।
শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ৪ বলে ৫ রান করে আউট হয়েছিলেন।
ঢাকার ব্যাটিং লাইন আপ ধসিয়ে দেওয়ার পথে মাত্র ৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তানভীর। ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন শরিফুল।
শেখ মেহেদী ২ উইকেট নিলেও খরচ করেন ৩৪ রান।
এদিকে এক ম্যাচেই ৪ টি স্টাম্পিং করে ইতিহাস গড়লেন এডাম রসিংটোন




