নোয়াখালীবাসীদের লজ্জায় মুখ লুকানোর দায়। এমনিতেই তাদের নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হয়। সেইসবের জবাবও দেন তারা।
নিজের আলাদা ঐতিহ্য, ভাষার জন্য বাংলাদেশে জনপ্রিয় তারা। কিন্ত সেই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে নোয়াখালী দলের সাথেই যেন ছেলেখেলা করা হচ্ছে। বিপিএলে নবাগত দল নোয়াখালীর জয় নেই এক ম্যাচেও, কিছুতেই কিছু করতে পারছেনা দলটি৷
রাজশাহীর বিপক্ষেও হারের কীর্তি বজায় থাকে নোয়াখালীর। তবে অন্যদিনের চেয়ে এদিন নোয়াখালীর অর্জন কিছুটা লড়াই। যদিও কখনই সেভাবে ম্যাচে ছিল না নোয়াখালী।
ব্যাটসম্যানদের ধীর গতির ইনিংসে ১৫১ রানের বেশি করতে পারেনি নোয়াখালী দল।
এদিন শুরুতে নামেন শাহাদাত হোসেন দ্বিপু, নেমে ইনিংস মেরামত করেন কিছুটা।
তবে তার ২৮ বলে ৩০ রানের ইনিংস মোটেও টি২০ ক্রিকেটের জন্য কার্যকর নয়। মাজ সাদাকাত ১৩ বল খেলে করেন মাত্র ৭ রান, তাই কিছুটা ধীর ছিল রানের গতি।
সেখান থেকে নোয়াখালীর ত্রাতা হন দলের দুই বড় নাম সৌম্য ও নবী। সৌম্য করেন আসরে নিজের প্রথম অর্ধশতক, ৪৩ বলে করেন ৫৯ রান। আর ২৬ বলে ৩৫ রান করে রিপন মন্ডলের বলে ফিরেন নবী। শেষের দিকে অঙ্কন ৫ বলে করেন ১০ রান, তাতে ১৫০ ছাড়ায় নোয়াখালী।
তবে এই টার্গেটকে মামুলি বানান মোহম্মদ ওয়াসিম। আরব আমিরাতের এই খ্যাতিমান ওপেনার বোলারদের উপর চড়াও হন শুরু থেকেই।
৪ টি করেন সমান চার ও ছক্কা হাকান। শেষ পর্যন্ত বোলারের সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হয়ে ফিরেন, নতুবা ফিরতে পারতেন ম্যাচ শেষ করেই। তাতেই অনেকটা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় নোয়াখালী।
এছাড়া রাজশাহীর হয়ে তানজিদের ২১, বার্লের ১৯ ও মুশফিকের ১৯ দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
যদিও মুশফিক, ইয়াসির, মেহরবদের আর্লি ফিরিয়ে নোয়াখালী চেষ্টা করে। তবে তাতে কাজের কাজ করতে পারেনি তারা।
মেহেদী রানা ৪ অভারে ৩ উইকেট নেন, তবে বাকিরা তেমন কার্যকরী ছিলেন না।।আর তাতেই এক অভার হাতে রেখে আসরে চতুর্থ জয় পায় নাজমুল শান্তর দল।
সব মিলিয়ে আসরে হেক্সা পুরণ হলো নোয়াখালী দলের।ব্রাজিলের আগে হেক্সা পুরণ তাদের।
তবে দলের যে ফর্ম, হেপ্টা অক্টা ডেকা পুরণ করতেও সময় লাগবেনা দলটির। এই হারের বৃত্ত থেকে বের হয়ে বিপিএলে এক জয়ই হতে পারে নোয়াখালীর এবারের আসরের স্বস্তি।




