ভারতের সাথে ক্রিকেটে শত্রুতা যে সহজ কিছু হবেনা বাংলাদেশের জন্য তা সবারই জানা।তবুও জনগনের আকাঙ্কাকে গুরুত্ব দিয়ে ভারত না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি ও সরকার।তবে এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তামিম,ভবিষ্যতে এর জন্য দেশের ক্রিকেটের ক্ষতি হবে বলেও ধারনা তার,তিবি বিসিবি বস হলে ভিন্নভাবে ভাবতেন বলে জানিয়েছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক।
তবে তামিমের মন্তব্যের ফটোকার্ড ফেসবুকে শেয়ার করে বিসিবি পরিচালক ও বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম লিখেন, ‘এইবার আরো একজন পরিক্ষিত ভারতীয় দালাল এর আত্মপ্রকাশ বাংলার জনগণ দু চোখ ভরে দেখলো।’
তার এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেট আঙিনায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার তৈরি হয়।
আর সেই প্রতিক্রিয়ার জবাবে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকফেঞ্জিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঐ পরিচালক বলেন,বাংলায় দালাল খারাপ শোনা যায় ইংলিশে ব্রোকার বললে খারাপ লাগতোনা।এছাড়াও তিনি নিজেকে বাংলাদেশের দালাল বলেন,আর তামিমকে ইঙ্গিতে ভারতের।
তবে তার বক্তন্য নিয়ে,
বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রিকেটারদের সংগঠনের ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
তাদের দাবি,
‘শুধু তামিমের মতো একজন বলেই নয়, দেশের যেকোনো ক্রিকেটারকে নিয়ে এমন মন্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও পুরো ক্রিকেট সমাজের জন্য অপমানজনক। আমরা এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’
বিসিবি সভাপতির কাছে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে জানিয়ে কোয়াব উল্লেখ করেছে, ‘একজন দায়িত্বশীল বোর্ড পরিচালক যখন পাবলিক প্ল্যাটফর্মে এমন মন্তব্য করেন, তখন বোর্ড কর্মকর্তাদের আচরণবিধি নিয়েও আমাদের প্রশ্ন জাগে। বিসিবি সভাপতির কাছে এর মধ্যেই আমরা প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়াসহ তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি। আশা করি, যত দ্রুত সম্ভব উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন বিসিবি সভাপতি।’
এই বিবৃতির পরেই আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এসেছে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।




