পেনে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক শামীম। শুরুতে ওসমান খানের সাথে পার্টনারশিপ করেন ২৫ রানের।
তৃতীয় অভারে উসমান ফিরে গেলে আসেন আফগান আকবরী। এক প্রান্তে আকবরী কিছুটা ধীরে ব্যাটিং করেন, করতে থাকেন স্ট্রাগল। তবে সাইফের ব্যাট চলে সমানতালে। আমির জামালকে এক অভারে ২২ রান নিয়ে শুরু করেন নিজের ব্যাটিং ঝড়।
এরপর মুগ্ধের এক অভারে হাকান দুই ছক্কা। একের পর এক বাউন্ডারি হাকিয়ে তুলে নেন অর্ধশতক।
দ্বিতীয় উইকেটে ৮৪ রানের পার্টনারশিপ করেন আকবরীর সাথে, দেখান বড় রানের স্বপ্ন
শেষ পর্যন্ত আউট হয়ে যান আকবরী। অপরদিকে নেমে শুরুর বলেই ফিরে যান শামীমও। তাতে চাপে পড়ে ঢাকা।
তবে শামীম ছিলেন অবিচল। একের পর এক বাউন্ডারি হাকাতে থাকেন তিনি। ঢাকাকে নিয়ে যান বড় রানের দিকেই। শেষ পর্যন্ত ফিরেন ৭৩ রানে। ৪৪ বলের ইনিংসে সাইফ ব্যাট করেন ১৬৫ স্ট্রাইক রেটে। হাকান সমান ৫ টি করে চার ও ছক্কা। সাইফের পুরো ইনিংস জুড়েই ছিল মুগ্ধতার ছড়াছডি।
এশিয়া কাপে সাইফ হাসান এসে দেশের আশার প্রতীক হয়েছেন। সেই আসরে সাইফের বড় ইনিংস ক্যাপাবলিটি ও খেলার ধরণ মুগ্ধ করেছে সবাইকে। তবে বিপিএলে সাইফ ভালো না করায় হতাশ ছিলেন অনেকে। সেখান থেকেই দারুণ প্রত্যাবর্তন করলেন এই ব্যাটসম্যান।
বিপিএলে এটাই ছিল সাইফের এই আসরে শেষ ম্যাচ। এরপর বিশ্বকাপ খেলবেন এই তারকা। তাই শেষ ম্যাচে এমন ইনিংস তাকে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস দেবে, তাতে নেই সন্দেহ। একইসাথে সাইফের এই ফর্মের প্রত্যাশাই ছিল ভক্তদের। এবার বিশ্বকাপে এই ফর্মটাকেই টেনে নেওয়ার পালা এই ডানহাতি ব্যাটারের, যেমনটাই তিনি করেছিলেন এশিয়া কাপের মঞ্চে।




