২০২৫ সালটি মুস্তাফিজুর রহমানের ক্যারিয়ারে একটি মাইলফলক হিসেবেই বিবেচিত হবে। বছরজুড়ে আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার ধারাবাহিকতা, নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার সক্ষমতা তাকে এনে দিয়েছে ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি।
উইজডেনের ২০২৫ সালের টি-টোয়েন্টি একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
এই বছরে মুস্তাফিজ খেলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পাশাপাশি ঢাকা ক্যাপিটালস, রংপুর রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে।
ভিন্ন ভিন্ন লিগ, কন্ডিশন ও চাপের মধ্যেও তার পারফরম্যান্সে কোনো বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়নি।
পুরো ক্যালেন্ডার বছরে তিনি শিকার করেছেন ৫৯টি উইকেট, যেখানে তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮,টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যা নিঃসন্দেহে এলিট মানের পারফরম্যান্স।
নূন্যতম ১৫০ ওভার বল করা বোলারদের মধ্যে মুস্তাফিজের গড় ছিল ১৮.০৩, যা ছিল সর্বনিম্ন। অর্থাৎ প্রতিটি উইকেটের জন্য তিনি দিয়েছেন সবচেয়ে কম রান। স্ট্রাইক রেটের বিচারে কেবল ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেসন হোল্ডারই তার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। নতুন বল হোক কিংবা ডেথ ওভার,রান আটকে রাখা এবং নিয়মিত উইকেট নেওয়ার দক্ষতার সমন্বয় মুস্তাফিজকে বছরের সবচেয়ে কার্যকর বোলারদের কাতারে নিয়ে গেছে।
উইজডেনের ২০২৫ টি-টোয়েন্টি একাদশে ব্যাটিং বিভাগেও জায়গা পেয়েছেন সময়ের সেরা পারফরমাররা। ভারতের অভিষেক শর্মা ছিলেন বছরের অন্যতম আলোচিত নাম,১ হাজার ৬০২ রান, ২০২ স্ট্রাইক রেটের সঙ্গে ১০টি উইকেট।
এক ক্যালেন্ডার বছরে বল প্রতি দুই রানের বেশি গড়ে এক হাজার রান করা প্রথম ব্যাটার হিসেবে ইতিহাস গড়েন তিনি।
ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে ১ হাজার ৫৭৫ রান করে ধারাবাহিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়াল্ড ব্রেভিস ও ডোনোভান ফেরেইরা মিডল অর্ডারে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলের ভারসাম্য এনেছেন।
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে স্যাম কারেন ছিলেন অনন্য,১ হাজার ৫২১ রান ও ৫১ উইকেট নিয়ে আইএলটি২০-তে টুর্নামেন্ট সেরার স্বীকৃতি পান তিনি। বোলিং বিভাগে মুস্তাফিজের সঙ্গে আছেন সুনীল নারিন, জেসন হোল্ডার, জ্যাকব ডাফি ও বরুণ চক্রবর্তী।




